১, জুন, ২০২০, সোমবার | | ৯ শাওয়াল ১৪৪১

জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করলো চিতলমারীবাসী

আপডেট: মার্চ ২৬, ২০১৯

জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করলো চিতলমারীবাসী


চিতলমারী প্রতিনিধি :ভোর হতে না হতে লাল টুকটুকে শাড়ি,কপালে ব্যান্ড,হাতে লাল চূড়ি নিয়ে শহীদ মিনারে এসে হাজির পাঁচ বছরের শিশু কন্যা ।ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের।চোখে মুখে ছিল আনন্দের খুশি।এ রকমের অনেকে এসেছে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ।কিন্ডারগার্টেন এর শিশুদের উপস্থিতিতে মুখরিত ছিল শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ।

 সকালে শহীদ মিনারের  বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা  জানান উপজেলা প্রশাসন, দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দ, স্কুল কলেজের শিক্ষক, ছাত্র ছাত্রী বৃন্দ,কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন,উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ, আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেনীর পেশার মানুষ ।

কোরান তেলোয়াত,গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের কার্যক্রম।অনুষ্ঠানে শহীদদের সালাম জানান বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা,প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শারীরিক কসরত,আলেখ্য অনুষ্ঠান করতে দেখা যায় ।

 উপজেলার বিভিন্ন  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ দিবস পালনের খবর পাওয়া যায়।সন্তোষপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহীদ দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজনে করা হয় ।স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা ২৬মার্চ সম্পর্কে আলোচনায় অংশ নেয়।মুক্তিযোদ্ধা মুনছুর স্যার আলোচনা করেন।এছাড়া স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এবং পুরস্কার বিতরন হয় ।

  শহীদ দিবসের তাৎপর্য  তুলে ধরা হয় নবীনদের  ঊদ্দেশ্যে ।১৯৭১সালের ২৫মার্চ কালরাত্রির বাঙালিজাতি নিধন সারাবিশ্ব অবলোকন করেছিল।বঙ্গবন্ধুর ৭মার্চ ভাষনে জাতি প্রস্তুত হয়েছিল বাংলা ভাষার জন্য।২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

বাড়ি ফেরার বেলায় স্বাধীনতা প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা নিয়ে  অনেকেই আলোচনায় ছিল ।৪৮বছর পরে কি পেলাম আর সমাজকে কি দিতে পেরেছি এমন হতাশা প্রকাশ করেন অনেকেই।তবে বঙ্গবন্ধুর কন্যার দিকে চেয়ে আছে দেশের আপামর জনগন।প্রত্যাশা তাদের একটি সুখী সমৃদ্ধি দেশ গঠন এবং ২৬ মার্চকে আন্তর্জাতিক ভাবে গনহত্যা দিবসের স্বীকৃতি এনে দেওয়া ।