১৫, ডিসেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

নাম্বার ওয়ান হবে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : মির্জা আজম

আপডেট: মার্চ ৩১, ২০১৯

নাম্বার ওয়ান হবে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : মির্জা আজম

জামালপুর প্রতিনিধি: সাবেক বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি বলেছেন, ২৩ বছর আগে ফিসারিজ কলেজ করেছিলাম একটি স্বপ্ন নিয়ে। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে সেই স্বপ্ন আজ পরিপূর্ণ, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হবে দেশের নাম্বার ওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়। ৫শ একর জায়গার অনুমোদন পাওয়া গেছে, আগামী ৫ বছরের মধ্যে এটি একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিপূর্ণ রূপ লাভ করবে। রবিাবর (৩১ মার্চ) দুপুরে জামালপুর শহরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ক্লাশ শুরু উপলক্ষে এক বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা আজম আরো বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা আমার নেশা। আমার বাবা একজন শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তি ছিলেন, তারও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা একটি নেশা ছিল, আমার বাবার নেশাই আমাকে পেয়ে বসেছে। আমি আমার এলাকায় ৬০টির বেশী স্কুল, কলেজ, মাদরাসা স্থাপন করেছি।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: আবুল হোসেন, রেজিষ্ট্রার খন্দকার হামিদুর রহমান, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক মো: আব্দুর রেজ্জাক। উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, বিজ্ঞান, প্রকৌশল, ব্যবসায় শিক্ষা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ৪টি বিষয়ে মোট ১৩৩ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু হল বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের। আশা করি সোনার খনি এই বিশ্ববিদ্যালয়। ভবিষ্যতে পূর্ণাঙ্গ ক্যাম্পাসে সকল আধুনিক ও ডিজিটাল সুযোগ সুবিধা থাকবে। ৯ টি ফ্যাকাল্টিতে ৪৫ টি বিভাগ চালু করা হবে। শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশ্যে তিনি বলেন, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে অনেক অসুবিধা হবে, এসব অসুবিধা ও সমস্যা মোকাবেলা করেই তোমরা সত্যিকারের শিক্ষা অর্জন করবে। সেশন জট যেন না হয় সেজন্য বন্ধ কম থাকবে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মাহমুদুর রহমান ও ড. মাহবুবুর রহমান।