১৫, ডিসেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

আমতলীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় ভীম ধ্বসে পড়ছে খসে পরছে ছাদের পলেস্তারা ঝুকিপূর্ন শ্রেনী কক্ষের পাঠদান বন্দ

আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০১৯

আমতলীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় ভীম ধ্বসে পড়ছে খসে পরছে ছাদের পলেস্তারা  ঝুকিপূর্ন শ্রেনী কক্ষের পাঠদান বন্দ

আমতলী (বরগুনা)প্রতিনিধি ।।

আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউপির দক্ষিন তক্তাবুনিয়া গ্রামের দক্ষিন তক্তাবুনিয়া জগৎচাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের ছাদের একাংশ ধ্বসে ও ভীম ভেঙ্গে পড়েছে। বুধবার সকাল ৯টার সময় ক্লাস চলাকালে এ ঘটনাটি ঘটেছে। তবে অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল্লাহ জানান, ৪র্থ শ্রেণির কক্ষে ছাদের একাংশ ও ভিম ধসের ঘটনা ঘটছে ওই শ্রেণিতে প্রাক সকালে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছিল। এমন সময় ভীম ধ্বসে পরতে দেখে ছাত্র ছাত্রী ও শিক্ষক দৌড়ে নেমে যান শ্রেনী কক্ষ থেকে । স্কুলটি মোট ৪টি কক্ষ এর মধ্যে একটিতে অফিস অপর তিনটিতে শ্রেণী কক্ষ রয়েছে । প্রতিটি কক্ষের ভীমে ফাটল ধরেছে। ছাদ ধ্বসে পলেস্তারা খসে পরছে। এ অবস্থায় ছাত্র ছাত্রীদের ঠিক মত পাঠ দান করানো যাচ্ছেনা।

। সরেজমিনে দেখা গেছে , ভবনের ছাদ ও দেয়াল থেকে পলেস্তারা ধ্বসে পড়ায় ও পানি চুইয়ে পড়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্র্থীদের ভয় ও আতংকের মধ্যে ক্লাস করতে হয়। বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০১- ০২ সালে এলজিইডির অর্থায়নে প্রায় ৮ লখ টাকা ব্যয়ে স্কুল ভবন নির্মান করেন । ভবন নির্মানের দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও কোনো সংস্কার না করায় ভবনটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পরেছে । বর্তমানে শিক্ষকরা জরাজীর্ন ভবনে বসে ক্লাশ ও পরীক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে।

বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। বৃষ্টি এলে শিক্ষার্থীরা বই পত্র সহ দৌড়ে আশে পাশের বাড়ির বারান্দায় আশ্রয় নেন। স্কুলের ৫ ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী অনিক , তুষার, চাঁদনী বলেন আমাগো কষ্টের আর শেষ নাই। মোরা বৃষ্টিতে ভিজে আর রৌদ্রে শুকাইয়া লেখা পড়া করি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল্লাহ জানান, বিদ্যালয় ভবনটি স্থাপনের পর কোনো সংস্কার না করায় বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ভবনটি সংস্কারের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট অনেক বার আবেদন করা হয়েছে কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না।

আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান, জানান, বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দ্রুত গতিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সরোয়ার হোসেন জানান, ঝুকিপূর্ন শ্রেনী কক্ষে পাঠদান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে । সরেজমিনে পরিদর্শনে যাচ্ছি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।