১৩, জুলাই, ২০২০, সোমবার | | ২২ জ্বিলকদ ১৪৪১

জামালপুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক নারীকে গাছের সাথে বেঁধে এবং লাঞ্ছিত করে জমি বেদখল

আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০১৯

জামালপুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক নারীকে গাছের সাথে বেঁধে এবং লাঞ্ছিত করে জমি বেদখল


জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুর সদরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক নারীকে গাছের সাথে বেঁধে এবং অপর নারী শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে জমি বেদখল করার অভিযোগ উঠেছে। রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে বিষয়টি প্রকাশ পায়।

জামালপুর সদরের কেন্দুয়া কালিবাড়ির খামারপাড়া গ্রামের স্কুল শিক্ষক সুমন দেবনাথ অভিযোগ করেন, জমি নিয়ে বিরোধ চলছে স্থানীয় মোকছেদ আলীর পুত্র প্রভাবশালী সুলতান মাহমুদ ফকিরের সাথে। সুমন দেবনাথের সাথে ১৫ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও গত ১৮ এপ্রিল বুধবার বিরোধপূর্ণ জমিসহ সাথে থাকা আরো ১৬ শতাংশ জমি জবর দখল করে। বেদখলীয় জমিতে রাতারাতি পানের বরজ তৈরি করে সুলতান মাহমুদ ফকির। এ ঘটনার প্রতিবাদ করার সুমন দেবনাথের মা ৫৮ বছর বয়সী প্রতিভা দেবনাথকে গাছের সাথে বেঁধে রাখে। এ সময় প্রতিভা দেবনাথের নাতী স্কুল শিক্ষিকা সুবর্ণা দেবনাথকে লাঞ্ছিত করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে।

নির্যাতনের ঘটনায় সদর উপজেলার নারায়নপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সাধারণ ডায়েরি এবং পরদিন সদর থানায় সুলতান মাহমুদ ফকিরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে নির্যাতিত পরিবার। গত ১৯ এপ্রিল পুলিশ মামলার আসামী নজরুল ইসলাম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। রোববার মামলার আসামীরা আদালত থেকে জামিন নিয়েছে। জামিনে যাওয়া আসামীরা সংখ্যালঘু এই পরিবারকে হুমকী দিচ্ছে।

প্রভাবশালী সুলতান মাহমুদ ফকির নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নিজের ক্রয় করা জমি তিনি দখলে নিয়েছেন।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সালেমুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়ের হলে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করে। তিনি শুনেছেন রোববার আসামীরা আদালত থেকে জামিন নিয়েছে।

সংখ্যালঘু পরিবারের এক নারীকে গাছের সাথে বেঁধে এবং স্কুল শিক্ষিকাকে লাঞ্ছিতকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।