২০, অক্টোবর, ২০২০, মঙ্গলবার | | ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

পরস্ত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে দেহভোগের অভিযোগ

আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০১৯

পরস্ত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে দেহভোগের অভিযোগ


রাজু আহাম্মেদ/চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পীরপুরকুল্লা গ্রামের জুগিরপাড়ায় জহির উদ্দিনের ছেলে লম্পট আসলাম (২৬) এর বিরুদ্ধে পর স্ত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ফুসলিয়ে  দীর্ঘ  দিন ধরে দেহ ভোগ করার অভিযোগ উঠেছে।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গৃহবধূ গ্রাম্য সালিশে সহায়তা চেয়ে অভিযোগ করলেও অবশেষে গ্রাম্য সালিশ পন্ড হয়ে দুজনেই পুলিশের খাঁচায় বন্দি হয়েছে।
জানাগেছে, কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পীরপুরকুল্লা জুগির পাড়ার রাজু ওরফে কালুর মেয়ে ঝাঝাডাঙ্গা গ্রামের ফরহাদের স্ত্রী কাকলী (১৮) কে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিতো লম্পট আসলাম। দীর্ঘদিন স্বামী বাইরে থাকার কারণে বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিতে থাকে। একপর্যায়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি পেয়ে কাকলি আসলামের ডাকে সাড়া দেয়। আসলাম কাকলিকে নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায নিয়ে গিয়ে দেহভোগ করে। বিষয়টি এক পর্যায়ে উভয় পরিবারের লোকজন জেনে যায়।উপায়ন্তর না পেয়ে কাকলী আসলামকে বিয়ের কথা বললে আসলাম বেকে বসে।অবশেষে কাকলি স্বামীর স্বীকৃতি পেতে গ্রাম্য সালিশে অভিযোগ করে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি সমঝোতা করার জন্য পীর পুর কুল্লা গ্রামের যুগির পাড়ায়  গ্রাম্য সালিশ হয়। গ্রাম্য সালিশের বিষয়টি সুরাহা না হওয়ার কারণে দামুড়হুদা  মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মিঃ শুকুমার বিশ্বাসের নির্দেশে কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ এ এস আই হাদিউজ্জামান হাদি ও এ এস আই আবুল কাশেম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাকলি ও আসলাম কে আটক করে দামুড়হুদা মডেল থানায় প্রেরণ করে।