২২, অক্টোবর, ২০২০, বৃহস্পতিবার | | ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

শ্রীলঙ্কায় নিহতদের স্মরণে ইউএসটিসিতে মোমবাতি প্রজ্বলন

আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৯

শ্রীলঙ্কায় নিহতদের স্মরণে ইউএসটিসিতে মোমবাতি প্রজ্বলন

সাজ্জাদ হোছাইন(ইউএসটিসি): সম্প্রতি ঘটে যাওয়া শ্রীলঙ্কায় সিরিজ বোমা হামলায় নিহতদের স্মরণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (ইউএসটিসি) ক্যাম্পাসে মোমবাতি প্রজ্বলনের মধ্যদিয়ে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এনাটমি বিভাগের সামনে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী ও শ্রীলঙ্কান শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে এ ঘটনায় নিহত ও আহতদের স্মরণ করা হয়। বক্তৃতায় বক্তাগণ শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান , ‘এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনো জাতির জন্য শুভ নয়। যে কোনো দেশের জন্য যেমন অমঙ্গল তেমনিভাবে বিশ্বজুড়ে একটি আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এর ফলে বিশ্বময় অস্থির একটি পরিবেশের জন্ম দেয়। সেই সাথে অধ্যয়নরত শ্রীলঙ্কান শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।গভীর উদ্বেগের সঙ্গে বক্তাগণ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান ও শোক প্রকাশ করেন।’
উপস্থিতিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আইডিএ ২০১৮-১৯ কার্যকরী কমিটির সভাপতি ডা. সাদমান,ইউএসটিসিতে অধ্যয়নরত শ্রীলঙ্কান শিক্ষানবিশ ডা. শান পেরারা,বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিবিএস কোর্সে অধ্যয়নরত মোস্তফা আশিক,চাম বৌদিক, আব্দুল্লাহ আল নোমান ও মোরশেদ আলম।

শ্রীলঙ্কান শিক্ষার্থীরা বক্তৃতায় উল্লেখ করেন,’ আমাদের এই বিভৎস পরিস্থিতিতে ইউএসটিসিতে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি বন্ধু, সহপাঠীদের সহযোগিতা ও সমর্থন পেয়েছি তার জন্য কৃতজ্ঞ। আমরা শান্তি প্রিয় জাতি। আমাদের পরিবার, দেশের জনগণের উপর কেন এ ধরণের হামলা করা হলো? আমরাও চাই সন্ত্রাসমুক্ত পৃথিবী।আমরা অভিভূত, এই ভিন দেশে এসে নিজের দেশের চেয়েও বেশি সমর্থন পেয়েছি।’

উল্লেখ্য, দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায় গীর্জা এবং বিলাসবহুল হোটেল ও অন্যান্য স্থাপনায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় নিহত বেড়ে ২৫৩ থেকে বেড়ে সর্বশেষ ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। রোববার সকালের দিকের এই সিরিজ হামলায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৫০০ জন।
ইস্টার সানডের সকালে কলম্বোর বিলাসবহুল সিনামুন গ্রান্ড, শাঙ্গরি-লা ও কিনসবুরি হোটেল ও কলম্বোর সেন্ট অ্যান্থনি গীর্জা, নেগোমবোর সেন্ট সেবাস্তিয়ান গীর্জা ও বাত্তিকালোয়ার জিওন গীর্জায় ওই হামলা হয়।
দেশটির প্রধান এবং প্রসিদ্ধ গীর্জাগুলো ইস্টার সানডের দিনে আক্রান্ত হতে পারে বলে ওই সতর্কবার্তায় জানান তিনি। রোববার সকাল ৮টার দিকে প্রথম বিস্ফোরণের খবর আসে। সময় যত গড়িয়ে যাচ্ছে নিহতের সংখ্যা ততই লাফিয়ে বাড়ছে। দেশটির ইতিহাসে এই হামলাকে কালো অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।