১২, আগস্ট, ২০২০, বুধবার | | ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

লালমোহন কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপিদের অনুপস্থিত সেভা বঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ রোগী

আপডেট: মে ১৪, ২০১৯

লালমোহন কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপিদের অনুপস্থিত সেভা বঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ রোগী

লালমোহন উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ রিপনদ্বীপ জেলা ভোলার লালমোহন উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইটারদের (সিএইচসিপি) অনুপস্থিতিতে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ রোগীরা। সরেজমিনে উপজেলার কয়েকটি ক্লিনিক ঘুরে দেখা যায়, এখানের দায়িত্বরত সিএইচসিপিরা নির্ধারিত সময়ের আগে ক্লিনিক বন্ধ করে চলে যায়। আবার কেউ কেউ খুলেই না ক্ল

এতে করে ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা রোগীদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে। শনিবার রমাগঞ্জের পূর্ব চরউমেদ কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায় বেলা ১১ টার দিকেও বন্ধ রয়েছে ওই ক্লিনিকটি। এসময় সেখানে দায়িত্বরত সিএইচসিপির জন্য ৪-৫ জন রোগীকে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

সেখানে অপেক্ষাকৃত রোগী খতেজা বেগম ও আনজোরা বেগম জানান, এ ক্লিনিকের ডাক্তার নজরুল ইসলাম স্যার নিয়মিত আসেনা। এর আগেও কয়েকদিন এসে তাকে না পেয়ে ফিরে গিয়েছি।

রোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ক্লিনিকের সিএইচসিপি নজরুল ইসলামের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সে চরভূতা ইউপির বাংলাবাজারে ফার্মেসী ব্যবসা, বিকাশ এজেন্ট, ডাচবাংলা মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসা নিয়ে রীতিমত ব্যস্ত থাকেন তার জন্য ক্লিনিকে নিয়মিত সেবা দিতে পারছেন না তিনি। এব্যাপারে সিএইচসিপি নজরুল ইসলাম বলেন, বাসায় কাজ ছিলো তাই যেতে পারি নায়।

অন্যদিকে একই দিন লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপির চাঁদমিয়ার হাট সংলগ্ন চাঁদপুর ক্লিনিকে দুপুর ১২ টায় গিয়েও ওই ক্লিনিক বন্ধ পাওয়া যায়। এব্যাপারে ওই ক্লিনিকের সিএইচসিপি শাবরিন জাহান (মুন্নি) বলেন, আমি একটু আগে বাড়িতে আসছি, কিছুক্ষণ পরেও আবার যাবো ক্লিনিকে। এছাড়াও ধলীগৌরনগর ইউপির চরমোল্লাজি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায় ওই ক্লিনিকে তালা ঝুলছে।

এব্যাপারে জেলা সিভিল সার্জন ডা. রথিন্দ্রনা বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।