৪, আগস্ট, ২০২০, মঙ্গলবার | | ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

যৌন হয়রানী ও নিপীড়ন

আপডেট: মে ১৭, ২০১৯

যৌন হয়রানী ও নিপীড়ন

মতামত: যৌন হয়রানী ও নিপিড়ন যৌন হয়রানী ও নিপিড়ন যৌন সংক্রান্ত অবাঞ্জিত আবদারই যৌন হয়রানী বা নিপিড়ন। সেটি হতে পারে ছেলে মেয়েকে বা মেয়ে ছেলেকে। তবে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় সাধারণত মেয়েরাই বেশি যৌন হয়রানী বা নিপিড়নের স্বীকার হয়ে থাকে।
একটি মেয়ের অসম্মতির বিরুদ্ধে যৌন আবেদনই যৌন হয়রানী। যৌন হয়রানির শিকার হয়নি এরকম মেয়ের সংখ্যা পৃথিবীতে আছে কিনা আমার জানা নাই। কেউ প্রকাশ করে আবার কেউ করে না। আবার কেউ যৌন হয়রানী হচ্ছে সেটাই বুঝে না। কারন আমরা বাঙ্গালী সহজ-সরল। আর বাঙ্গালীর সংস্কৃতি অনুযায়ী বিয়ে, অনুষ্ঠানে বোন জামাই বা বেয়াই বা কাজিনরা একটু আজে বাজে কুটুক্তি করবে বা গায়ে হাত দিয়ে কথা বলবে এটা যেন স্বাভাবিক বিষয়। ঘর থেকেই আমাদের সতর্ক হতে হবে।


আজ কাল প্রতিনিয়ত দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ নারীরা ধর্ষনের শিকার হচ্ছে। প্রতিনিয়তই যৌন নিপিড়নের ঘটনা ঘটছে। একের পর এক ধর্ষন, যৌন আক্রমন এবং নিপিড়নের ঘটনায় মানুষ আতঙ্কিত। নারীরা আজ সকল কাজে এগিয়ে আসতে চাচ্ছে কিন্তু কিছু পুরুষের লোলুপ্য দৃষ্টির কারনে নারীরা সেভাবে এগোতে পারছেনা। এইসব বিকৃতমনা পুরুষগুলো নারী দেহের বিভিন্ন গঠনের উপর সর্বদা দৃষ্টি রাখে এবং কখন তাকে নিজ আয়ত্বে আনতে পারবে সে চিন্তা করে। তারা এতটাই মানসিক বিকারগ্রস্ত যে, যার উপর দৃষ্টি দিচ্ছে তার বয়স কত সে শিশু না বৃদ্ধা না যুবতী কোনটাই চিন্তা করে না যৌন নিপিড়নের শিকার হয়। বাংলাদেশের প্রায় অধিকাংশ নারী প্রতিনিয়ত যৌন নিপিড়নের শিকার হচ্ছেন। পথে-ঘাটে, যানবাহনে, মার্কেটে এমন কি বাসা বাড়ীতেও বাদ যায় না।


আজকাল আমাদের মূল্যবোধের এতটাই অবক্ষয় হয়েছে যে, ২ বছরের একটি অবুঝ শিশুও এই নিপিড়নের হাত থেকে রেহাই পায় না। তাই আমাদের সমাজের  সকলকেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই যৌন হয়রানী ও নিপিড়ন বন্ধের জন্য রুখে দাড়াতে হবে।

@সোহেল রানা, সৈয়দপুর প্রতিনিধি