১২, আগস্ট, ২০২০, বুধবার | | ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

কলাপাড়ায় জমি দখল, হামলা, মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করলো কৃষক কামাল

আপডেট: মে ১৮, ২০১৯

কলাপাড়ায় জমি দখল, হামলা, মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করলো কৃষক কামাল

রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি ঃ কলাপাড়ায় জমি দখল নেয়ার চেষ্টা ও ফসল কাটার মৌসুমে নারী-পুরুষ মিলে বাধা প্রধানসহ হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রকৃত জমির মালিক দরিদ্র প্রান্তিক কৃষক মো. কালাম ফকির। শনিবার বেলা ১১টায় কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন কালাম ফকিরের ভাইয়ের ছেলে আলমগীরসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ও চম্পাপুর ইউনিয়নের অনেক কৃষক ।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কালাম বলেন, সামান্য জমি চাষ করে পরিাবর পরিজন নিয়ে কোনমতে দিন চলছে। কলাপাড়া উপজেলার চম্পাপুন ইউনিয়নের ১৩৬ নং খতিয়ানের পাটুয়া মৌজার (খাস বাদে) আমাদের পাঁচ একর ২৯ শতক জমি রয়েছে। এ জমির মধ্যে ১ একর ৫০ শতক জমি চাচাতো দাদা ফয়জর আলীর কাছ থেকে ক্রয় করা হয়েছে। ১৯৬৩ সালের ৭ই জুলাই এ জমি ক্রয় করা হয়েছে। যার দলিল নং-২৩৪৭। এছাড়াও বিনমকাঠা মৌজার ৩৩ নং খাতিয়ানে ওয়ারিশ ও ক্রয় সূত্রে আমাদের ৫একর ৬৫ শতক এবং ৩৪ খতিয়ানে ৬ একর ৩৭ জমি রয়েছে। তখন থেকে আমরা এসব জমি বংশ পরমপরায় ভোগ করে আসছি। এখনও ভোগ দখলে রয়েছে। এসব জমির এসএ, আরএস, সিএস সহ সর্বশেষ বিএস জরিপ আমাদের নামেই রয়েছে।

কিন্তু ফজর আলীর লোকান্তরে তার ওয়ারিশগন কিছু জমি স্থানীয় প্রভাবশালীদের কাছে বিক্রি করে। যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী চক্র রুবেল মৃধা, জসিম মৃধা, ধলাই মৃধা, বাহারুল সরদার, সাইফুল মৃধা গং আমাদের দাদার থেকে ওয়াারিশ সূত্রে প্রাপ্ত এবং দাদার ভাই ফয়জর আলীর কাছ থেকে কস্টসাধ্য ক্রয় করা চাষের জমি দখল নেয়ার উদ্যেশে নানাভাবে হয়রানি করে আসছে। চাষাবাদসহ ফসল কাটার মৌসুমে নারী-পুরুষ মিলে বাধা প্রদানসহ হয়রানি করছে। এছাড়া আমাদেরকে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ভূমি দস্যু আখ্যা দিয়ে সুবিধা নেয়ার চেস্টা অব্যাহত রেখেছেন এ চক্রটি। প্রকৃতপক্ষে আমরা খেটে খাওয়া নিরক্ষর মানুষ। এনিয়ে থানা পুলিশে তাদের নামে মামলা রয়েছে। বর্তমানে আদালতেও মামলা চলমান রয়েছে। সংঘবদ্ধ প্রভাবশালী এ চক্রের কাছে আমাদের পরিবার বর্তমানে অসহায় হয়ে পড়েছে। জীবন ও সম্পদ ঝুকিপূর্ন হয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রুবেল মৃধা জানান, এ ঘটনা সম্পূর্ন মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।এ জমি নিয়ে কয়েকবার শালিস বৈঠক হয়েছে। বর্তমানে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায়ও কালাম ফকির রুহুল আমিন হাওলাদারের কাছে জমি বিক্রি করেছে।