২৭, নভেম্বর, ২০২০, শুক্রবার | | ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

চাঁদপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের সরকারি চাউল দোকানে মজুত রেখে বিক্রি

আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৯

চাঁদপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের সরকারি চাউল দোকানে মজুত রেখে বিক্রি

জি এম শরীফ মাছুম বিল্লাহচাঁদপুর প্রতিনিধি,
চাঁদপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের সীলমোহর যুক্ত সরকারি চাউল চোরাই ভাবে এনে দোকানে মজুদ রেখে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চাঁদপুর সদর উপজেলা ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড হরিপুর বাজারে শাহ আলম পাটোয়ারীর দোকানে সরকারি খাদ্য অধিদপ্তররে চাউল বিক্রির সময় স্থানীয়রা বাধা দেয়। চাল বিক্রি ও দোকানে মজুদ রাখার ঘটনার এলাকাবাসীর সাথে দফায় দফায় বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।
জানা যায় ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১০ নং গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার টেলু পাটোয়ারী খাদ্য অধিদপ্তররে একশ বস্তা চাল চোরাই ভাবে এনে চান্দ্রা ইউনিয়নের হরিপুর বাজারে শাহ আলম পাটোয়ারী দোকানে মজুদ রাখে। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, ফরিদগঞ্জ ও চাঁদপুর সদর উপজেলা ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নের সীমানা পাশাপাশি হওয়ায়   গোবিন্দপুর ইউনিয়নের টেলু মেম্বার সরকারি টি আর,কাবিখা ও হতদরিদ্রদের চাউল  চোরাই ভাবে এনে হরিপুর বাজারে  দোকানে মজুদ রাখে। সরকারি চাউল  বিক্রির ঘটনা এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে ধারণা করেছেন চান্দ্রা চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা চাল বিক্রি করেছে। কিন্তু ফরিদগঞ্জের মেম্বার টেলু চাঁদপুর সদরে এনে এই সরকারি চাল বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। হরিপুর বাজারের দোকানদার শাহ আলম পাটোয়ারী জানায়, টেলু মেম্বার আত্মীয় হওয়ার সুবাদে সে সরকারি খাদ্য অধিদপ্তরের চাল দোকানে এনে রেখেছে। এখানে চাল রেখে মানুষদের মাঝে দিয়ে থাকে। এই চালের বিষয় আমি জানিনা।
গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ইউপি টেলু মেম্বার জানায়, একটি রাস্তার কাজের জন্য চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সেই চালই তারা হরিপুর বাজারে আত্মীয় দোকানে রাখা হয়েেছ। রাস্তার কাজে যে সকল শ্রমিকরা কাজ করছে তারা সেই চাল নিচ্ছে আবার কেউ চালের বিপরীতে টাকা নিচ্ছে।
অন্যদিকে এ ব্যাপারে ১০ নং গোবিন্দপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হান্নান জানায়, টেলু মেম্বার কোথা থেকে এই চাল এনে দোকানে রেখেছে তা আমার জানা নেই, এই বিষয়ে তিনি ভাল বলতে পারবেন। তাকে কোনো কাজের বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।
চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা মুঠোফোনে জানায়, সরকারি চাউল মজুদ রাখার ঘটনাটি ফরিদগঞ্জের নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। চান্দ্রা ইউনিয়ন  ও গোবিন্দপুর ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবহিত করা হবে।