২৭, নভেম্বর, ২০২০, শুক্রবার | | ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

গৃহবধূ বিথী হত্যার প্রধান আসামিকে ১৪ দিনেও আটক করতে পারেনি পুলিশ

আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯

গৃহবধূ বিথী হত্যার প্রধান আসামিকে ১৪ দিনেও আটক করতে পারেনি পুলিশ

মোঃ ইলিয়াস আলী, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পারিবারিক কলহের জেরে বিথি শর্মা নামে এক গৃহবধূকে গলাটিপে হত্যার মামলার প্রধান আসামি জতিশ রায়কে এখনো আটক করতে পারেনি পুলিশ। বিথী হত্যার ১৪ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো কেন প্রধান আসামি আটক হচ্ছে না এমন প্রশ্নের উত্তর চায় বিথী”র মা।

গতকাল বিথীর মা সাংবাদিকদের এক সাক্ষাতকারে বলেন আমার মেয়েকে গলা টিপে হত্যা করে আমার জামাতা জতিশ এখনও পুলিশের নাগালের বাইরে।এখনো পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে আমার মেয়ের হত্যাকারী জতিশকে আটক করছে না।তবে কি আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার পাব না?

তিনি আরো বলেন আমি গবির মা বলে আমার মেয়ের হত্যা মামলাকে গুরুত্ব দেয় না পুলিশ। এ এমতাবস্থায় আমার নিরবে কাঁদা ছাড়া আর কোন পথ খুলা নেই। আমি আমার মেয়ের হত্যার সুষ্ঠ বিচারের জন্য সাংবাদিক সমাজের সহযোগিতা চাই।

উল্লেখ্যঃ প্রায় ১০ মাস আগে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখানগর ইউনিয়নের মহেশপুর সর্দারপাড়া গ্রামের বিজয় শর্মার দ্বিতীয় মেয়ে বিথি রানী রায়কে ভালোবেসে বিয়ে করেন একই ইউনিয়নের ভেলারহাট গুচ্ছগ্রামের সংসার বর্মনের ছেলে জতিশ রায়। বিয়ের পর কিছুদিন যেতে না যেতেই সাংসারিক কাজকর্ম নিয়ে শাশুড়ি ও পুত্রবধূর মাঝে প্রায়ই ঝগড়া লেগেই থাকতো। জতিশ তার মায়ের ইন্ধনে স্ত্রী বিথি রানীকে মারধর করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বিথি রানী রায় তার অসুস্থ পিতাকে দেখতে যাওয়ার জন্য স্বামীর কাছে বায়না ধরেন। স্বামী ও শাশুড়ি বিথিকে এতে বাধা দিলে তিনি কান্নাকাটি করতে থাকেন। এসময় তারা ওই গৃহবধূকে গালমন্দ করেন। এক পর্যায়ে মায়ের ইন্ধনে স্বামী জতিশ চন্দ্র রায় মারধোর করে এবং গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন স্বামী জোতিষ। পরে অবস্থা বেগতিক দেখে লাশ ফেলে পালিয়ে যান তিনি। খবর পেয়ে রুহিয়া থানার পুলিশ ভেলারহাট গুচ্ছগ্রাম থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

এ ব্যাপারে রুহিয়া থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায় বলেন, আখানগর গুচ্ছগ্রামে এক গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। দুই আসামির মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।