২৪, নভেম্বর, ২০২০, মঙ্গলবার | | ৮ রবিউস সানি ১৪৪২

১৮ বছরে বাবার দেখা পায়নি মেয়ে

আপডেট: জুলাই ১৭, ২০১৯

১৮ বছরে বাবার দেখা পায়নি মেয়ে

বিশেষ প্রতিনিধি অনিক দেব নাথ :

একটি মানবিক সাহায্যের আবেদন মা-মেয়ের সংসার ওদের। গৃহকর্মীর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। মেয়ের বয়স ১৮ হলো। ওকে মায়ের পেটে রেখে নিরুদ্দেশ হয় ওর বাবা। গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া থানার আমবাড়ি গ্রামের মৃত ধলু বারুই এর ছেলে রতন বারুই এর সাথে বিয়ে হয় ওর মার। বছর খানেকের মধ্যে রতন বারুই স্ত্রীকে ফেলে নিরুদ্দেশ হয়। তারপর কেটে গেছে ১৮ বছর। মেয়ে তার বাবাকে কোনদিন দেখতে পায়নি। স্বামী নেই, শশুর বাড়িতেও ঠাই হলো না। দুধের শিশুকে কোলে নিয়ে সেই ১৮ বছর আগে চলে এসেছে খুলনা শহরে। গৃহকর্মীর কাজ নেয়। খেয়ে না খেয়ে চলে যায় দিন। মেয়েটার বয়স ১০/১১ বছর হতে না হতে অসুস্থ্য। এ্যাপেন্ডিক্স অপারেশন করতে হলো। ডাক্তারের অবহেলায় নাকি ভাগ্যের পরিহাস, কী বলব জানিনা। সেই অপারেশনের ক্ষত আর শুকায় না। ইনফেকশন হয়, ডাক্তার পেটের মাংস কেটে বাদ দেয়। 2/3 মাস যেতে না যেতে আবার ইনফেকশন। এ পর্যন্ত ৮ বার অপারেশন। সর্বস্ব দিয়ে চিকিৎসা করায় মেয়ের। তাতেও শেষ রক্ষা হয় না। এবার রক্তে ধরা পড়লো বি ভাইরাস+। কী করবে দিশেহারা। ৪/৫ বাসায় কাজ করে সারাদিন। মাস শেষে ৫০০০-৫৫০০ টাকা আয়। ঘরভাড়া দিয়ে কোন রকম ২ বেলা খায়। কিন্তু ডাক্তার/ওসুধ এসব করতে করতে ধার দেনা করেছে প্রচুর। মায়ের একমাত্র সম্বল ঐ মেয়ে ছাড়া তো কেউ নেই। ২৫০ বেড হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ৩/৪ দফায় ১-দেড় মাস করে থেকেছে। দু/একজন ডাঃ কিছুটা সহনুভুতি দেখায়। তারপর আবার বাড়ে অসুখ। এবার ডিএনএ টেষ্ট করাতে হয়েছে যার খরচ বহন করা ওদের মোটেই সম্ভব নয়। ধারদেনা করে করিয়েছে। যাদের বাসায় কাজ করে এ পর্যন্ত তারাই বিভিন্ন সময়ে সাহায্য করে এসেছে। ডিএনএ টেস্টের পর ডাক্তার বলে কমপক্ষে ২ বছর একটানা ওসুধ খেতে হবে। তারপর যদি ভালো হয়। প্রতিমাসে যে ওসুধ তা কিনতে গেলে আর টাকাই থাকেনা। ২ বেলার অন্ন জোটানো দায় হয়ে পড়েছে। এমন করুণ অবস্থায় যদি কোন সহৃদয় ব্যাক্তি/ব্যাক্তিবর্গ ওদের পাশে দাঁড়ান তাহলে হয়তো দুঃখীনি মায়ের শেষ সম্বল একমাত্র মেয়েটাকে বাঁচাতে পারবে। মানুষ তো মানুষেরই জন্য। আসুন, একটি মানবিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই আমরা, মায়ের (তিলোত্তমা) ফোন নম্বর # 01990947849
বিকাশ নম্বর # 01986416785