২২, এপ্রিল, ২০২১, বৃহস্পতিবার | | ১০ রমজান ১৪৪২

দলীয় সরকারের গত ১০ বছরের অর্জন

আপডেট: জুলাই ১৭, ২০১৯

দলীয় সরকারের গত ১০ বছরের অর্জন

কন্ঠ ডেস্কঃ একজন মিথ্যাচারী, ক্ষমতালোভী, দুর্নীতিবাজ, ধোকাবাজ, লেডি-হিটলার। নাম গনতন্ত্রের মানসকন্যা। কিন্তু গনতন্ত্র বলতে কিছু নাইরাষ্ট্রের সকল নাগরিকের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে “ক্ষমতার অপব্যবহার করে নদ-নদী, খাল, বীল, ডোবা- নালা দখল করে আবাসিক প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা, বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের দেওয়া পানির কারণে বাংলাদেশের প্রায় চল্লিশটি জেলা দীর্ঘ দিনের জন্যে বন্যা কবলিত হতে যাচ্ছে”
অতএব সকলে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য পূর্ব প্রস্তুতি নিন ।দীর্ঘ দশ বছর যাবত উন্নয়নের কলা দেখিয়ে, মুলা ঝুলিয়ে তিনি এই জাতির প্রতি তার যে রাগ-ক্ষোভ ছিলো তা মিটিয়ে নিচ্ছেন ।প্রতিশোধ পরায়ন মানুষটি এই জাতির উপর প্রতিশোধ নিচ্ছেন ।মাদক এবং ভারতীয় টিভি চ্যানেলের অশ্লীল অপসংস্কৃতি দিয়ে যুব সমাজ ধ্বংস করছেন।
[যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট খাইয়ে ঐ পুরুষ/ নারীকে শালীন থাকতে বলাটা নিছকই বোকামি]
মানুষ যখন হত্যা ধর্ষণ নির্যাতনের ইস্যু নিয়ে ব্যস্ত, তিনি তখন রাষ্ট্র দ্রোহী সকল চুক্তি বাস্তবায়নে ব্যস্ত। ব্যাংক গুলো শূন্য করে, জনগণের মাথা বিক্রি করে, দেশের সার্বভৌমত্ব বিলীন করে, রাষ্ট্রীয় সকল অর্থ-সম্পদ লুট করে ভিনদেশীদের খুশি করছেন, এবং বিনিয়োগ করছেন।
তিনি ছাড় দেননি কৃষক কিংবা শিক্ষা ব্যবস্থা!কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য না দিয়ে উচ্চ মূল্যে বিদেশ থেকে আমদানি করে, নিজেদের পকেট ভারি, বিদেশী বন্ধুরাও খুশি।
পাঁচ কোটি শিক্ষিত যুবক/ যুবতীদের দমিয়ে রাখতে এবং জাতিকে ধ্বংস করতে, মাদক সহজলভ্য করা হয়েছে, পাঠ্যপুস্তকে যৌনতা ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে অপরাজনীতি।
জঙ্গি নাটক মঞ্চস্থ করে ধ্বংস করা হয়েছে গার্মেনটস শিল্প!তিনি তার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এবং বিদেশী প্রভুদের খুশি রাখতে কূটনৈতিক, বিভিন্ন  এনজিও সংস্থা এবং মিডিয়ার পিছনে প্রতি মাসে গড়ে ঌo কোটি টাকা খরচ করছেন ।দেশব্যাপী ছাত্রলীগের অরাজকতা দেখে মনে হচ্ছে ছাত্রলীগ হয়েছে বদরুল-লীগ, আর সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা হয়েছে বিশ্বজিত-খাদিজা ! দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোকে অস্ত্র, মাদক, হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনের ট্রেনিং সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করছে ছাত্রলীগ। সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর চরম নির্যাতন নিপীড়ন করছে।আবাসিক হল গুলোতে মেধাবী গরিব শিক্ষার্থীদের ঠাঁই হয় না তবে ছাত্রলীগের বহিরাগত সন্ত্রাসী এবং পতিতাবৃত্তির জন্য রুম বরাদ্দ থাকে।
প্রতিটি হত্যা ধর্ষণ নির্যাতনের সাথে ক্ষমতাসীন দল প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে জড়িত থাকার কারণে আইন ও বিচার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে ।
ভুক্তভোগীরা জীবন বাঁচাতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, অপরাধীরা স্বাধীন ভাবে ঘুরে বেড়ায়।
তার/তাদের অপরাধ, অপকর্ম, কুকর্ম, লুটপাটের তথ্য গোপন রাখতে “আইসিটি” আইন করে জনগণের বাক স্বাধীনতা হরণ করছে।