১, অক্টোবর, ২০২০, বৃহস্পতিবার | | ১৩ সফর ১৪৪২

নিখোজ আবির হুসাইন এর মাথা বিহিন মরা দেহ উদ্ধার!

আপডেট: জুলাই ২৪, ২০১৯

নিখোজ আবির হুসাইন এর মাথা বিহিন মরা দেহ উদ্ধার!

সোহানুর আহম্মেদ ;

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় আবির হুসাইন নামে এক মাদরাসা ছাত্রের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।এর আগে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাতে এশার নামায পড়ে আর মাদ্রসায় ফিরেনি আবির।রাতভর সম্ভাব্য সব স্থানে খুঁজেও তার সন্দান মিলেনি।রাত পোহাতেই দেখা মিলে আবিরের।জিবীত নয়, আবিরকে পরপারে পাঠিয়ে দিয়েছে এই সমাজ।

বুধবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কয়রাডাঙ্গা গ্রামের একটি আম বাগানের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আবির হুসাইন ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার খালিসপুর গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে এবং কয়রাডাঙ্গা নুরানী হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র।

নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

মাদরাসার অধ্যক্ষ মুফতি আবু হানিফ জানান, আবির হুসাইন দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসাতে অধ্যয়নরত ছিল। মঙ্গলবার এশার নামাযের কিছুক্ষণ আগ থেকে সে নিখোঁজ হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় গ্রামের বিভিন্ন স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও আমরা তার সন্ধান পাইনি। এরপর সকালে গ্রামবাসী মাদরাসার অদূরে জনৈক রেজাউল ইসলামের আমবাগানের ভেতরে আবিরের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে।

খবর পেয়ে সকাল ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান পিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ ও আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামান মুন্সি।

পুলিশ সদস্যরা নিহত ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করতে গেলে উত্তেজিত হয়ে ওঠে গ্রামবাসী। তারা মাদরাসা ছাত্র আবিরের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে গ্রামবাসীকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। আশ্বাস দেয়া হয় ঘাতকের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার।

এদিকে, চুয়াডাঙ্গার কয়রাডাঙ্গা গ্রামে মাদরাসা ছাত্রের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধারের পর গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মাদারাসা থেকে ছাত্রদের তাদের অভিভাবকরা নিজ নিজ বাড়িতে নিয়ে যান।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার জানান, মাদারাসা ছাত্রের হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি আমরা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। ঘটনার নেপথ্যে কি আছে সেটি অনুসন্ধানে আমাদের বেশ কয়েকটি ইউনিট কাজ করছে। খুব শীঘ্রই আমরা প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে পারবো।