২২, এপ্রিল, ২০২১, বৃহস্পতিবার | | ১০ রমজান ১৪৪২

পীরগঞ্জে শোক দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ক্লাবের আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০১৯

পীরগঞ্জে শোক দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ক্লাবের আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

আবু তারেক বাঁধন,পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ক্লাবের আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত আলোচনা সভায় মিলাদ মাহফিল বঙ্গবন্ধু ক্লাবের সভাপতি ও ৬নং পীরগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার কবির সৌরভ এর সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তোজামুল হক এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে ১৫ আগস্ট এর সেই কালরাত্রি ভয়াবহ ঘটনার উপর গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন, পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অধ্যাপক রাজিউর রহমান রাজু। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল হক, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জুলফিকার আলী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম, সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা সিদ্দিক আলী, ৬নং পীরগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি দুলাল হোসেন, ৬নং পীরগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার উদ্দিন বকুলসহ আওয়ামী লীগ এর ইউনিয়ন শাখার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু ক্লাবের সহ-সভাপতি আজগর আলী, আব্দুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুলাহ আল-মামুন,তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কাউসার আহম্মেদ রকি, প্রচার সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, কার্যকরী সদস্য রুহুল আমীনসহ ক্লাবের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এসময় সভাপতির বক্তব্যে কাউসার কবির সৌরভ উপস্থিত সিনিয়র নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে বলেন, ১৫ই আগস্ট এলেই আমরা শুধু আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষ করতে পারলেই এক বছরের জন্য বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করার কথা ভুলে যাই কেন? ১৫ই আগষ্টের ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়নি এবং হচ্ছেনা। তারিখটি মূখ্য বিষয় নয়, যা আলোচনার দাবী রাখে তাহলো ‘কেন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলো? কোন অপশক্তি এই হত্যাকান্ডের বেনিফিশিয়ারি?’ নেতা যদি স্বাভাবিকভাবেও সেই দিনটিতে মারা যেতেন তবুও ১৫ই আগষ্ট ‘জাতীয় শোক দিবস’ হতো। তাই, ১৫ই আগষ্ট শুধু শোক দিবস নয়। এই দিনটিতে আমরা যেন বঙ্গবন্ধুর অন্তর্ধানের পেছনের মীর জাফর-ঘসেটি বেগমদের অপকীর্তিকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পারি সেই উদ্যোগ প্রত্যাশিত শাসক দলের নিকট। ১৫ই আগষ্ট ছিল বাঙালি জাতির পরাজয়ের দিন। ৩০ লক্ষ শহীদ যে উদ্দেশ্য সামনে রেখে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন, সে উদ্দেশ্য বাধাগ্রস্ত হয় ১৯৭৫ এর ১৫ই আগষ্ট। স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি মীর জাফরের রক্তের স্রোতধারায় পুনরায় বাংলা মায়ের বুক খামচে ধরে। ধীরে ধীরে তারা মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে ক্ষমতার অংশীদারিত্ব পায়!! তাদের গাড়িতে উড়ে আমাদের জাতীয় পতাকা!! এসবই ১৫ই আগষ্টের সৃষ্টি। ১৫ই আগষ্টের শপথ হোক, রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশ। ১৫ই আগষ্টের শপথ হোক ‘ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ’। ১৫ই আগষ্টের শপথ হোক ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’।