১৫, ডিসেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

২১শে আগষ্টে আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবুর শোক বিবৃতি

আপডেট: আগস্ট ২২, ২০১৯

২১শে আগষ্টে আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবুর  শোক বিবৃতি

(শাহ্ হিরো স্ট্যাপ রিপোর্টার)
রক্তাক্ত ও কলঙ্কময় ২১ আগস্ট। বাংলাদেশের ইতিহাসের এক নরকীয় সন্ত্রাসী গ্রেনেড হামলার ১৫তম বার্ষিকী আজ। ভয়াবহ ওই গ্রেনেডহামলার ১৫তম বার্ষিকীতে শোকাহত চিত্তে ২১ আগস্ট নরকীয় সন্ত্রাসী গ্রেনেড হামলায় নিহত সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে খুলনা-৬ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্হায়ী কমিটির সদস্য,খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশির দশকের ছাত্রনেতা, কয়রা-পাইকগাছা সহ খুলনা জেলার গনমানুষের প্রিয়নেতা  আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু নিম্নোক্ত শোক বিবৃতি প্রদান করেছেন:-আজ রক্তাক্ত ও কলঙ্কময় ২১ আগস্ট। বাংলাদেশের ইতিহাসের এক নরকীয় সন্ত্রাসী গ্রেনেড হামলার ১৫তম বার্ষিকী আজ। ২০০৪ সালের এইদিনে রাজধানী ঢাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশে চালানো হয় নজিরবিহীন এক হত্যাযজ্ঞ। তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেডের দানবীয় ত্রাস আক্রান্ত করে মানবতাকে। সেদিন গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে ভয়াবহ হামলার শিকার হন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। হামলার ধরন ও প্রচণ্ডতা থেকে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যেকোনও মূল্যে শেখ হাসিনাকে হত্যা করাই ছিল ওই গ্রেনেড ও গুলিবর্ষণের উদ্দেশ্য।ওই সময় আওয়ামী লীগের নেতারা শেখ হাসিনাকে ঘিরে ধরে মানববর্ম রচনা করে রক্ষা করেছিলেন। তবে নিহত হন দলের মহিলা বিষয়ক সম্পদক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিনী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতা-কর্মী। আহত হন পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী। তাদের অনেকেই আজও পঙ্গু অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন।এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু একুশে আগস্টের শোককে শক্তিতে পরিণত করে সন্ত্রাস ও জঙ্গিমুক্ত একটি শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘একুশে আগস্টের হামলাকারী, পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা এবংমদদদাতাদের সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে দেশ থেকে হত্যা,সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের চির অবসান হবে। আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। এই দিনে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’তিনি আরও বলেন, ‘এ হামলার মূল লক্ষ্য ছিল স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, শান্তি ও উন্নয়নের ধারাকে স্তব্ধ করে দেওয়া। বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করে হত্যা, ষড়যন্ত্র, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃশাসনকেচিরস্থায়ী করা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করাই ছিল এই হামলার উদ্দেশ্য।’ ‘এ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করে বিচার করা ছিল সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকার তা না করে হত্যাকারীদের রক্ষার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে। হামলাকারীদের পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়। অনেক আলামত ধ্বংস করে। তদন্তের নামে এই নৃশংস ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে। কিন্তু পরবর্তীকালে তদন্তে বেরিয়ে আসে বিএনপি-জামাত জোটের অনেক কুশীলব এই হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল।’তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। দেশ-বিদেশের সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে কুখ্যাত অনেক যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে। গত দশ বছরে আমাদের সরকার সব সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিহত করে দেশে শান্তি ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছে ।পরিশেষে, তিনি শোকাহত চিত্তে পরম করুণাময় আল্লাহর দরবারে ২১ আগস্ট নারকীয় সন্ত্রাসী গ্রেনেড হামলায় নিহত সকল শহীদ দের রূহের মাগফেরাত কামনা করেন।” জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু জয় হোক জননেত্রী শেখ হাসিনার।”