৮, ডিসেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ১০ রবিউস সানি ১৪৪১

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ইবি প্রেস ক্লাবের আলোচনাসভা

আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০১৯

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ইবি প্রেস ক্লাবের আলোচনাসভা


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে  ‘বঙ্গবন্ধু ও গণমাধ্যম’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ^বিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস-২০১৯ উপলক্ষে এর আয়োজন করে মুক্তযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল সাংবাদিক সংগঠনটি।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফেরদাউসুর রহমান সোহাগের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান এবং মূল আলোচক ছিলেন ইবি প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য-সচিব অধ্যক্ষ শাহাজাহান আলম সাজু।

সংগঠনের সাহিত্য সম্পাদক রুমি নোমানের সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত তিমির।

সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুকে আমরা রাজনীতিবিদ কিংবা দার্শনিক হিসেবে চিনি। কিন্তু তিনি সম্পাদক এবং সাংবাদিকও ছিলেন। তিনি ‘মিল্লাত’ পত্রিকার সাথে জড়িত ছিলেন। স্বাধীনতার পর তিনিই সর্বপ্রথম সাংবাদিকদের জন্য ‘নিউজ পেপার ডিক্লারেশন এনালমেন্ট অর্ডিন্যান্স’ নামে আইন পাশ করেন। এটি ছিলো সাংবাদিকদের পেশা ও জীবিকার উন্নয়নে একটি কার্যকর পদক্ষেপ।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, ইবি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এবিএম রফেল, সাবেক ইবি শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ডের কন্ট্রোলার কামাল উদ্দিন, ইবি প্রেসক্লাবের সাবেক নেতৃবৃন্দের মধ্যে, আলমগীর হোসেন খাঁন, তোফাজ্জাল হোসেন তোতা, এ.কে আজাদ লাভলু, বেলাল উদ্দিন, নওয়াব আলী খান, আব্দুল্লাহিল ওয়ারিশ মিরাজ, সালাউদ্দিন বাপ্পী, ইকবাল হোসাইন রুদ্র, ইবি ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম রবিউল ইসলাম পলাশ, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। আলোচনা সভায় প্রায় সহ¯্রাধিক দর্শক-শ্রোতা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে শাহজাহান আলম সাজু বলেন ‘পচাত্তর পূর্ববর্তী  সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের বাক স্বাধীনতা রক্ষায় প্রথম কাজ  করেছিলেন। তিনি তার জীবনে বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিকতার পাশাপাশি সম্পাদকও ছিলেন। এবং  নিজ হাতে সাপ্তাহিক  মিল্লাত পত্রিকা বিক্রি করেছেন।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. রাশিদ আসকারী বলেন, ‘স্বাধীন এবং সার্বভৌম বাংলাদেশের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুই সর্ব প্রথম  গণমাধ্যমের জন্য  কাজ করেন। তিনি সাংবাদিকদের জন্য বেতন ভাতারও ব্যাবস্থা করেছিলেন। সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমকে জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি দেন।