৩১, অক্টোবর, ২০২০, শনিবার | | ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কলাপাড়া পায়রা বন্দরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম দুই বছরের মধ্যে শুরু হবে নৌ-পরিবহন সচিবের ঘোষনা

আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০১৯

কলাপাড়া পায়রা বন্দরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম দুই বছরের মধ্যে শুরু হবে নৌ-পরিবহন সচিবের ঘোষনা

রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি, ঃ কলাপাড়া পায়রা বন্দর প্রধানমন্ত্রীর একটি অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্প, দেশের গুরুত্বপূর্ন একটি বন্দর। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে বেশ কয়েকটি কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। চলমান কাজগুলো শেষ হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে পায়রা বন্দরের ফাংশোনাল কার্যক্রম শুরু করা যাবে। শনিবার বেলা ১২টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী স্বরণে দশ লাখ গাছের চারা রোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর পায়রায় ২০ হাজার গাছের চারা রোপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের সচিব আবদুস সামাদ এসব কথা বলেন।

নৌ-পরিবহন সচিব তার ক্ষুদ্র বক্তৃতায় আরো বলেন, এ প্রকল্পের আওতাধীন ক্ষতিগ্রস্থ তিন হাজার ৫’শ পরিবারকে আমরা এ টাইপ ও বি টাইপের ভবন তৈরি করে দিচ্ছি। ছয় স্থানে এসব পরিবারের জন্য ভবন তৈরি করার কাজ চলছে। আর একটি কাজ হচ্ছে রামনাবাদ চ্যানেলসহ সমুদ্রের অংশ যেখান থেকে জাহাজ আসবে, সে কাজটা আমরা বেলজিয়ামের একটা নামকরা কম্পানি জাংজিকোকে দিয়েছি। তারা স্টাডি করে দেখছে, শীঘ্রই এ কাজও বাস্তবায়ন হবে। এছাড়া সামনে ট্রান্স শিপমেন্ট টার্মিনাল গুলোও নির্মান হবে। কানেকটিং রোড শেখ হাসিনা সড়ক এবং আন্ধার মানিক নদীর উপর একটি ব্রীজ তৈরি করা হবে, যেটা আমাদের মেইন টার্মিনাল পর্যন্ত চলে যাবে। এসব কাজ বাস্তবায়ন হলে দেশের অর্থনীতিতে আমদানী রপতানি এবং অন্যান্য নৌবানিজ্যসহ সকল ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে পায়রা বন্দর।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গাছের চারা বিতারন ও রোপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রানালয়ের অতিরিক্ত সচিব ভোলানাথ, পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান কমডোর এম জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিবুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনুপ দাসসহ পায়রা বন্দরের কর্মকর্তারা। এর আগে প্রধান অতিথি পায়রা বন্দরের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরে তিনি পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আরপিসিএল প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।