১৬, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, সোমবার | | ১৬ মুহররম ১৪৪১

পাকুন্দিয়ায় স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ , প্রধান আসামি জাহিদ গ্রেফতার

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০১৯

পাকুন্দিয়ায় স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ , প্রধান আসামি জাহিদ গ্রেফতার

বিশেষ প্রতিনিধি, নুরুল ইসলাম :পাকুন্দিয়ায় নানার বাড়িতে নবম শ্রেণির ছাত্রী স্মৃতি আক্তার রিমা (১৪) গণধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মুরাদুজ্জামান জাহিদ (২২) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ শহরের বত্রিশ এলাকার জেলা স্মরণী মোড় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাকুন্দিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এসএম শফিকুল ইসলাম জানান, পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জাহিদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়া মুরাদুজ্জামান জাহিদ পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে। স্কুল ছাত্রী রিমাকে অপহরণের পর গণধর্ষণ করে হত্যা মামলার সে ১নং আসামি।

নিহত স্মৃতি আক্তার রিমা পার্শ্ববর্তী হোসেনপুর উপজেলার জামাইল গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের কন্যা ও হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী। গত ১৮ই জুলাই সকাল ১১টার দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের গাংধোয়ারচর গ্রামে নানার বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ের একটি বরই গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় স্কুল ছাত্রী রিমার লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এ ঘটনায় পরদিন ১৯শে জুলাই রাতে নিহত স্কুল ছাত্রীর মা আঙ্গুরা খাতুন বাদী হয়ে পাকুন্দিয়া থানায় রিমাকে অপহরণের পর গণধর্ষণ করে হত্যার অভিযোগ এনে মামলা (নং-৮) দায়ের করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩)/৭ ধারায় দায়ের করা এই মামলায় জাহিদ মিয়া, পিয়াস মিয়া, রুমান মিয়া (১৮) ও রাজু মিয়া (১৮) এই চার জনের নামোল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার চার আসামির মধ্যে জাহিদ মিয়া পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে, পিয়াস মিয়া একই গ্রামের সৌদি প্রবাসী রুবেল মিয়ার ছেলে, রুমান মিয়া গ্রামেরই ফারুক মিয়ার ছেলে ও রাজু মিয়া একই গ্রামের কফুল উদ্দিনের ছেলে।

মামলা দায়েরের পর ২নং আসামি পিয়াস মিয়া (১৮) কে গত ২০শে জুলাই দিবাগত রাত ২টার দিকে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ পশ্চিম মাদার বাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের একটি টিম। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বিয়েতে ব্যর্থ হয়ে রিমাকে অপহরণের পর জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে হত্যা করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাকুন্দিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম শফিকুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে পরবর্তি আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।