২৫, অক্টোবর, ২০২০, রোববার | | ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

পঞ্চগড়ে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৯

পঞ্চগড়ে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন


মোঃ আবু নাঈম, পঞ্চগড়: জোর পূর্বক চাঁদাবাজি, জমি দখল এবং বসত বাড়ি ভাংচুরের প্রতিবাদে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে একই উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের বালুবাড়ি এলাকার আলহাজ্ব আব্দুল জব্বারের ছেলে আব্দুল হামিদ।রবিবার সকালে পঞ্চগড় জেলা রিপোর্টার্স ক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আব্দুল হামিদ।তিনি বলেন, গত এক বছর পূর্বে উপজেলার বাংলাবান্ধা মৌজায় আমি স্থানীয় সফিকুল ইসলাম ও আব্দুস সাত্তারের নিকট হতে ৬৫ শতক জমি ক্রয় করে গাছপালা রোপন এবং মাটি ভরাট করে ৩টি টিনের চালা ও ৩ টি বাংলা কুঁড়ে ঘর নির্মাণ করে ৬টি পাথর ভাঙ্গা মেশিন দ্বারা পাথরের সাইড খুলে ব্যবসার কাজ করে আসতেছি।জমি ক্রয়ের পর থেকেই বাংলাবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলন অল্প মূল্যে তার কাছে জমি বিক্রির চাপ দিয়ে আসছে। আমার ব্যবসা চলাকালিন সময়ে বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খুদরত-ই-খুদা মিলন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে আমার কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে অন্যথায় আমার জমি দখল এবং সেখানে আমি ব্যবসা করতে পারবোনা বলে আমাকে হুমকি দেয়।পরে গত ২০১৮ সালের ১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলন এবং তার দলবল আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা নেয়।পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৫ মে দুপুর দুইটার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলনের হুকুমে তার দলবল আমার জমি দখল করার জন্য আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারের বসত বাড়ি ভাংচুর করে এবং ম্যানেজারসহ তার স্ত্রীকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রেখে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়।পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।ভুক্তভোগী আব্দুল হামিদ আরো বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা।চেয়ারম্যান বর্তমানও আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে যে কোন সময় আমার পরিবারের সদস্যদেরসহ আমাকে হত্যা করতে পারে এঅবস্থায় আমি এবং আমার পরিবার মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।তেঁতুলিয়া থানা, পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ উচ্চ পদের কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি। উপায় না পেয়ে আদালতে মামলা আনয়ন করি।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চেয়ারম্যান আমাকে তেঁতুলিয়া বাজারে ডেকে বলে আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছিস তোকে মামলা করার স্বাদ চিরতরে মিটাইয়া দিবো।মামলাটি বর্তমান তেঁতুলিয়া থানায় তদন্তনাধীন রয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সেলিম সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক সাইদুজ্জামান রেজা, বাংলাদেশ প্রতিদিন’র জেলা প্রতিনিধি সরকার হায়দারসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।