২২, জানুয়ারী, ২০২১, শুক্রবার | | ৮ জমাদিউস সানি ১৪৪২

জাককানইবিতে শতবর্ষী বটগাছ না কাটার নির্দেশ উপাচার্যের

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯

জাককানইবিতে শতবর্ষী বটগাছ না কাটার নির্দেশ উপাচার্যের

জাককানইবিতে একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুদ্বীপ সংলগ্ন শতবর্ষী বটগাছ কাটা ও পুকুর ভরাটের প্রতিবাদে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল সংগঠনগুলো।

সোমবার  সকালে উপাচার্যের কার্যালয়ে ৪ দফা দাবি নিয়ে স্মারকলিপি দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্রিয়াশীল সংগঠন।

গতকাল রোববার শতবর্ষী ঐ বটগাছ কাটা শুরু করলে শিক্ষক শিক্ষার্থীর প্রতিরোধে তা বন্ধ করে দেয় সেখানে নিয়োজিত শ্রমিকরা।

সোমবার স্মারকলিপি দেয়ার সময় উপাচার্য প্রফেসর ড.এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন- আমিও প্রকৃতি প্রেমী। তাই এই যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে গাছ না কাটার নির্দেশ দিচ্ছি তবে কাজের স্বার্থে ডোবাটি ভরাট করতে হবে। আসন্ন দীর্ঘ পরিকল্পনায় কয়েকটি পুকুর থাকবে। আপনাদের যেকোনো সমস্যায় আমাকে জানান, আমি এর ব্যবস্থা নিবো।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর উজ্জ্বল কুমার প্রধান, ছাত্র উপদেষ্টা শেখ সুজন আলী,সহকারী প্রক্টর আল-জাবির, সাকার মুস্তাফা সহ পরিকল্পনা উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ হাফিজুর রহমান,রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড. হুমায়ুন কবীর প্রমুখ অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিয়াশীল সংগঠন এর পক্ষে হাসিব ইসলাম, শাওন জুবায়েদ, আশরাফ শুভ, জাকির হোসেন সোহরাব সহ অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলো।

স্মারকলিপির চার দফা দাবিগুলো হলো-

১। চারুদ্বীপের পুকুর সংরক্ষণ ও খননের মাধ্যমে ব্যবহার উপযোগী করা।

২। শতবর্ষী বটগাছটি নিধনের হুমকি মুক্ত করা

৩। উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বিভাগের ব্যাপক স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও দুর্নীর্তির অভিযোগ খতিয়ে দেখা।

৪। পুকুর ও বৃক্ষ অক্ষত রেখে প্রস্তাবিত একাডেমি ভবন দ্রুততম সময়ে নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিয়াশীল সংগঠন গুলোর মধ্যে রয়েছে- গ্রীনক্যাম্পাস, মুক্তিযোদ্ধারসন্তান, রংধনু, কালোমেঘ, হাসিমুখ, শব্দমঙ্গল সহ বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় ছাত্র সংগঠন।