২৩, অক্টোবর, ২০১৯, বুধবার | | ২৩ সফর ১৪৪১

যত বড় নেতাই হোক অপকর্ম করে ছাড় পাবে না

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯

যত বড় নেতাই হোক অপকর্ম করে ছাড় পাবে না

সামিউল্লাহ, কোতয়ালী (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ

যত বড় নেতাই হোক, যত প্রভাবশালী ব্যক্তি হোক- অপকর্মের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকবে কোনও অবস্থাতেই তাদের ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘যারাই অপকর্ম করবে, দলের লোক হোক, বাহিরে লোক হোক, যত প্রভাবশালী হোক সবার ব্যাপারে আইন একই ভাষায় কথা বলবে। আইনের শাসন একই রকম চলবে। গত শনিবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্সের বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে এসেছে। এ ব্যাপারে জোর তদন্ত চলছে। অভিযোগ আসছে, অভিযোগের তদন্ত চলছে। সব ব্যাপারেই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে এমন নয়, কিছু কিছু বিষয়ে তদন্তের জন্য প্রশাসনিক ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে বলা হয়েছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ক্ষমতাসীন দলের যারা অপকর্মে জড়িত তাদের বিষয়ে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব সেল রয়েছে, যারা এসব ইনফরমেশনগুলো সংগ্রহ করছে।সোমবার ( ১৬ সেপ্টেম্বর) মতিঝিলস্থ বিআরটিসি সম্মেলন কক্ষে বিআরটিসির চলমান এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে দিকনির্দেশনা ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ছাত্রলীগের পর যুবলীগসহ অন্য সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতার বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও কমিশন-বাণিজ্যের অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে।

যুবলীগ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যুবলীগ নিজেরা উদ্যোগ নিয়েছে। মিডিয়ায় দেখলাম তারা ট্রাইবুলান গঠন করেছে। তারা নিজেরাই তাদের নিজেদের সমস্যা, সংকটের ব্যাপারে শুনানির উদ্যোগ নিয়েছে। ট্রাইবুলান করছে ভালো কথা, শুভ উদ্যোগ। যুবলীগ নিজেরাই যদি নিজেদের সংকট সমাধানের ব্যাপারে বা অনিয়মের অভিযোগের সম্মুখীন হয়, সেই অভিযোগের মোকাবিলায় ট্রাইবুলান গঠনের বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণে রাখছি।’রংপুর-৩ আসন জাতীয় পার্টিকে ( জাপা) ছেড়ে দেয়া হবে কিনা- জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় পার্টির বিষয়টি আমরা দেখছি। আমরা মাঠের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছি। অবশ্য জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি আমাদের বিবেচনায় রয়েছে।’

বিআরটিসির বাস সার্ভিস নিয়ে সড়কমন্ত্রী বলেন, ‘লাভ বড় করে না দেখে, জনগণের সার্ভিসে গুরুত্ব দিতে হবে। বিআরটিসিতে স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করা গেলে এখানে লাভের মুখও দেখা যাবে। বিআরটিসির চেয়ারম্যান আসে, চেয়ারম্যান যায়। ভাগ্যের উন্নয়ন হয় না। বারে বারে সেই পুরানো অভিযোগ।’ কাদের বলেন, ‘ঠিকমত গাড়ি মেরামত হয় না, কিছু কিছু ডিপোর শ্রমিকরা বেতন পায় না। এখানের দুর্নীতি নিয়ে প্রায়ই লেখালেখি হয়। নতুন চেয়ারম্যানকে বলেছি জনবল কম হলে কম কম নিয়ে কাজ চলবে, কিন্ত দুর্নীতিবাজদের দরকার নেই। হেলপারকে দিয়ে বাস চালাবেন না। এতে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হয়।