৯, আগস্ট, ২০২০, রোববার | | ১৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

কোটা পুনর্বহালসহ ৬দফা দাবিতে আন্দোলনে যাচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্মরা

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯

কোটা পুনর্বহালসহ ৬দফা দাবিতে  আন্দোলনে যাচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্মরা

স্টাফ রিপোর্টার 
মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ ৬দফা দাবি আদায়ে ২৫ শে সেপ্টেম্বর   থেকে লাগাতার আন্দোলনে যাচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্মরা ।
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান প্রজন্মের প্রতিনিধি ‘অহিদুল ইসলাম তুষার’ বলেন, কোটা ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বঙ্গবন্ধুর দেয়া একটি উপহার, একটি সম্মান যা ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর ছিল, কিন্তু গত বছর কিছু কুচক্রী মহল তাদের পেইড এজেন্টর মাধ্যমে সরকারকে বেকায়দায় ফেলে কোটা বাতিলের মতো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে । আমরা বঙ্গবন্ধুর দেয়া উপহার ফেরত চাই, আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ফেরত চাই, তিনি আরো বলেন সারাদেশে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন ভাবে অবহেলা নির্যাতন করা হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় মুক্তিযোদ্ধাদের উপর আক্রমন করা হচ্ছে ভূমি দখল করা হচ্ছে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ভাবে অবহেলা করা হচ্ছে, এজন্য মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ সুরক্ষিত আইন প্রণয়ন করা অত্যন্ত প্রয়োজন ।তিনি বলেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্মরা বিভিন্ন পরীক্ষায় ভাইভাতে গেলেও তাদের অবহেলা করে ফেল দেখানো হয়, এতে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আমাদের চাকরি হচ্ছে না তিনি বলেন এ রকম অনেক উদাহরন আছে আমাদের কাছে,  যা আমরা দেখাতে পারব ।আন্দোলনের গনজোয়ার সম্পর্কে ‘তুষার’ বলেন,ইতোমধ্যে দেশের প্রত্যেক জায়গা থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি আমরা। প্রতিটা উপজেলা, জেলা, মহানগর এবং বিভাগীয় ভাবে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সবাই স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করছি।মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্মের অনেক সংগঠন আছে, সবাই যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে, তাহলে দাবি আদায় হবেই।  গণতন্ত্রের মানসকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা নিজেই বলেছেন যাদের কোটা প্রয়োজন, তারা যেন আন্দোলন করে। আন্দোলনের মাধ্যমেই কোটা ফেরত আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত গণতন্ত্রের মানস কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক। তিনি আমাদের এই ৬দফা দাবি মেনে নিবেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের আবারো সম্মানিত করবেন। বীরের রক্ত দিয়ে যদি প্রশাসন  তৈরি হয় তাহলে, দেশ ও জাতি সুরক্ষিত থাকবে। একজন বীরের সন্তান ও প্রজন্ম কোনদিন দেশবিরোধী কাজে করতে পারে না।তিনি সবাইকে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে আন্দোলন সফল করার জন্য অনুরোধ করেন।