১৫, নভেম্বর, ২০১৯, শুক্রবার | | ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শীতের আগাম বার্তা

আপডেট: অক্টোবর ৬, ২০১৯

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শীতের আগাম বার্তা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ // হিমালয়ের কোলঘেঁষা সীমান্তবর্তী উত্তরের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জেও ভোরবেলায় কুয়াশা পড়তে শুরু করেছে। এতে শীতের আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছে জেলার ৫ উপজেলার মানুষকে। প্রতি বছর অগ্রহায়ন মাসের প্রথম সপ্তাহে এ জেলায় শীতের আগমন ঘটলেও এবার আশ্বিন মাসের শেষ ১০ দিনেই শুরু হয়েছে শীত। ভোরবেলা পড়তে শুরু হয়েছে কুয়াশা।

স্থানীয়রা বলছে, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে এ বছর দ্রুত শীত শীত অনুভব হচ্ছে। দিনের বেলা বেশ গরম থাকলেও সন্ধ্যা নামার পর থেকেই কুয়াশা পড়তে শুরু করে। রাতভর হালকা বৃষ্টির মত টুপটুপ করে কুয়াশা ঝরতে থাকে। বিশেষ করে ধানের শীষে কুয়াশা বিন্দু বিন্দু জমতে দেখা যায়। সকালে যারা ঘাসের ওপর দিয়ে হাঁটাচলা করেন কুয়াশার কারণে তাদের কাপড় ভিজে যায়।

রবিবার ভোরবেলা দেখা গেছে, হালকা কুয়াশায় ঢেকে গেছে রাস্তা-ঘাট। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বাস-ট্রাকগুলো গুলো হেডলাইট চালিয়ে রাস্তায় চলাচল করছে। অনেকেই হালকা গরম কাপড় গায়ে দিয়ে নিজ নিজ কাজে বের হচ্ছেন।

চায়ের দোকানদার রণজিৎ  জানান, দুদিন থেকে ভোরবেলা দোকানে আসার সময় শীত শীত লাগছে। এর ফলে হালকা গরম কাপড় গায়ে দিয়ে দোকানে আসছেন তিনি।

তবে শীতের আগমন ঘটলেও লেপ তোসকের দোকানগুলোতে এখন পর্যন্ত ক্রেতাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। অনেক গরম কাপড় ব্যবসায়ী বলছেন শীতের লেপ-তোসক বানানেরা কাগজ শুরু হতে আরও ২০-২৫ দিন লাগবে।সরোজমিনে দেখা গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কালুপুর,পৌরএলাকার পিঠালিতলা,কদমতলা,বাগানটুলি এলাকায় বিশেষ করে যারা একেবারে বয়সের বার্ধক্যে পৌঁছেন তাদা চাদর নিয়ে সকালে নামাজ পড়তে যাচ্ছে।গত রাত ১২টার পর!শিবগঞ্জ পৌরসভার কিছু এলাকায় শীত পড়তে দেখা যায়।
শিক্ষক শফিকুল ইসলাম,গত বছর এমন সময়ে কোন কুয়াশা লক্ষ্য করিনি। এ বছর দুদিন ধরে সকালে বাস নিয়ে বের হবার সময় হেডলাইট জ্বালিয়ে রাস্তায় চলাচল করতে হচ্ছে। তাছাড়া হালকা বাতাসের কারণে ঠান্ডাও অনুভুত হচ্ছে।

সবজি চাষি আক্কাশ আলী বলেন, হালকা শীতের কারণে ফসলে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস আক্রমণ শুরু করে। এতে ফসলে কীটনাশক প্রয়োগ করতে। উৎপাদন খরচও বেড়ে যায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মনজুরুল হুদা বলেন, হালকা শীতের কারণে বিভিন্ন ফসলে রোগ-বালাই দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আমরাও ফসলের সুরক্ষায় কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছি। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ফসলগুলো রোগ-বালাই কাটিয়ে বাম্পার ফলন হবে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।