১৫, ডিসেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

টর্চার সেল থাকলে এক ঘন্টায় ব্যবস্থা- ইবি উপাচার্য

আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০১৯

টর্চার সেল থাকলে এক ঘন্টায় ব্যবস্থা- ইবি উপাচার্য

ইবি সংবাদদাতা

‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আবাসিক হলসমূহে টর্চার সেল জাতীয় কোন জিনিসের অস্তিত্ব থাকবে না। থাকলে এক ঘন্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিবে প্রশাসন।’ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল সাংবাদিক সংগঠন ইবি প্রেসক্লাবের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, ‘বুয়েটের ঘটনার পর হল প্রশাসনের ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে কতৃপক্ষ আরও জোরালো নীতিমালা গ্রহণ করবে। আবাসিক হলে মেধাভিত্তিতে সিট বন্টন করা হয়। যেখানে অছাত্র, বহিরাগত, সন্ত্রাসী ঢুকার কোন সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে মাস্টার্সের পরীক্ষা শেষে এক জন শিক্ষার্থীকে ১৫ দিনের মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে । ছাত্রলীগ বা অন্য যে সংগঠনই হোক যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে নৈরাজ্য এবং অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায় তাদের কে অপরাধী হিসেবেই গণ্য করা হবে। কোন রাজনৈতিক কাঠামো দিয়ে তাদের বাচানোর সুযোগ নেই।’

তিনি আরো বলেন, ‘বুয়েটে যেটি ঘটেছে সেটি কোন ছাত্র রাজনীতি নয় এটি বিশুদ্ধ সহিংসতা। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থ কেন্দ্রীক ছাত্র রাজনীতির দরকার। তাই ক্যাম্পাসে শুদ্ধাচারের ছাত্র রাজনীতি কাম্য।’

ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কর্মীদের দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে অস্ত্র নিয়ে মহরা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে এরকম ঘটনার প্রেক্ষিতে এডিশনাল এসপির নেতৃত্বে আমরা হলের সন্দেহজনক সকল রুমে রেড (তল্লাশী) দিয়েছি। কেননা যে কোন অপরাধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের জিরো টলারেন্স।’

এছাড়াও ক্যাম্পাসে মাদকের প্রবনতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘মাদক, সন্ত্রাস এবং জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে আমরা প্রশাসনিকভাবে তৎপর। সেই সাথে শিক্ষার্থীরা যেন মাদকে আসক্ত না হয় সে জন্য বিভিন্ন মোটিভেশনাল পোগ্রাম, সাংস্কৃতিক ও খেলাধুলা কর্মকান্ডের মধ্যে তাদের সম্পৃক্ত করার চেষ্টা অব্যহত রয়েছে। তাছাড়া ক্যাম্পাসে ২৪ ঘন্টা নিরাপত্তা দেওয়ার কথা বিবেচনা করে প্রভোষ্ট কোয়ার্টার করা হয়েছে। যা দ্রুত সম্ভব উদ্ভোদন করা হবে। যেখানে প্রত্যেক হলের প্রভোষ্ট না হয় আবাসিক শিক্ষক এর মধ্যে কমপক্ষে একজন থাকতে বাধ্য থাকবে।’