৮, ডিসেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ১০ রবিউস সানি ১৪৪১

নোয়াখালীতে মওদুদের গাড়ীতে ককটেল – আহত ৬

আপডেট: ডিসেম্বর ৫, ২০১৮

নোয়াখালীতে মওদুদের গাড়ীতে ককটেল – আহত ৬

জে এস আব্দুর রহমান ( নোয়াখালী প্রতিনিধি) :  নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বামনী বাজারে বিএনপির স্থানীয় কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার দুপুরের দিকে এ ককটেল হামলার ঘটনা ঘটে।  হামলায় বিএনপির ৬ জন আহত হয়েছে। আহতরা হলেন, বিএনপি নেতা স্বপন, নাইমুল ইসলাম কাঠার, মো. মিন্টু, আবদুল্লাহ ও মামুন।  আহতদেরকে বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের ব্যক্তিগত সহকারী মমিনুর রহমান সুজন জানান, মঙ্গলবার সকালে স্যার রামপুর ইউনিয়নের প্রায়াত যুবদল নেতা আলমগীর হোসেন, সাবেক চেয়ারম্যান আলী আকবর, নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান মো. নোমানের পিতা আবুল কাশেম পেশকার, বিএনপি নেতা হাবিব উল্যাহ চৌধুরী, আবুল বাশার মেম্বারের কবর জেয়ারত করতে যান।

ফেরার পথে দুপুরে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মওদুদ আহমদের গাড়ি লক্ষ্য করে পরপর ২৫-৩০টি ককটেল নিক্ষেপ করে।  ককটেল হামলায় বিএনপির ৬ নেতাকর্মী আহত হয়েছে।  ককটেল হামলার আতঙ্কে বামনীয়া বাজারের সমস্ত দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়।  লোকজন দিকবিদিক ছোটাছুটি করতে থাকে।  বাজারের ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করে।

স্থানীয় রামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বেলাল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ওই এলাকার নিহত বিএনপি নেতাদের কবর জেয়ারত করতে যান।  এ সংবাদ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানার পর তারা সংঘবদ্ধ হয়ে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটায়।

জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল জানান, রামপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের লোকজন কোন ককটেল হামলার ঘটনা ঘটায়নি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, রামপুর ইউনিয়নের বামনীয়া বাজারে বিএনপি নেতা ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদের যাওয়াকে কেন্দ্র করে কোনো ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে কি না তা আমাদের জানা নেই।  তবে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।