৮, ডিসেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ১০ রবিউস সানি ১৪৪১

দৌলতপুরে মাদকাসক্ত শরিফের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০১৯

দৌলতপুরে মাদকাসক্ত শরিফের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী


কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার রিফায়েতপুর ইউনিয়নের সোনাইকান্দি গ্রামের  আব্দুলের ছেলে মাদকাসক্ত শরিফের অত্যাচারে অতিষ্ঠো এলাকাবাসী, প্রশাসন নিরব। শরিফ মাদক গ্রহন করে গত শনিবার ডাক্তার সফোর আলীর গাড়ী ভাঙ্গচুর করে। ডাক্তার সফোর আলী থানায় অভিযোগ করেন। কিন্তু কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় সে মাদক গ্রহন করে এলাকার বিভিন্ন যায়গায় ভাঙ্গচুর করে। সোমবার দুপুরে সাংবাদিক আহাদ আলী নয়নের বাড়ীতে ভাঙ্গচুর করেন। আহাদ আলী নয়ন থানায় জানান। আহাদ আলী নয়ন জানান, থানা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে সে পাগল, পুলিশ আইনে পাগলের কোন বিচার নাই। কিছু সময় যেতে না যেতে আবার দৌলতপুর বাজারে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শমেদ আলী শামিম’র তৃপ্তি গার্মেন্টসে হামলা চালায়। সমেদ সাহেব থানায় অভিযোগ জানালে পুলিশ মাদকাসক্ত শরিফকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে কিন্তু পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়, বলেন শরিফ পাগল হয়ে গেছে তাই পাগলের কোন আইনে বিচার হবেনা। এদিকে পরিবারে দাবি ভিন্ন, শরিফের পরিবারের লোক জন  নির্বাহী মেজিট্রেট আজগর আলী কে  জানায়,শরিফ পাগল না,শরিফ মাদকাসক্ত পুলিশ শরিফের কোন বিচার করবেনা কারন পুলিশের মাদক বিক্রয়করে শরিফ। স্যার আমরা ছেলে আগে ভাল ছিল গাড়ী চালায়তো ,ভাল ভাবে চলছিল আমার সংসার। হঠাৎ পুলিশের সাথে সোর্চগিরি করতে লাগলো, দৌলতপুর থানার এস আই আলমগীরের সাথে থাকে সব সময়, এস আই আলমগীর মাদক ধরে সেই মাদক আমার ছেলে কাছে রাখে এবং আমার ছেলেকে দিয়ে বিক্রয় করে। আমার ছেলে কে আলমগীর দারোগার একটি মটোরসাইকেল কিনে দেওয়ার কথা কিন্তু হঠাৎ  মটোরসাইকেল কিনে দিতে চাচ্ছেনা ।  কয়েক দিন আগে আমার ছেলে সহ আলমগীর দারগা প্রাগপুর থেকে মাদক ধরে ৭০ বতল। ৪০ বতল লুকিয়ে রাখে প্রাগপুর এলাকাতে আর ৩০ বতল থানায় জমা দেয়। আমার ছেলে মটোরসাইকেল কিনে দেয়নি সেই রাগে ওসি কে বিষয়টি জানায়। এবং ওসি আলমগীর দারগাকে অপমান করে , পরে আমার ছেলেকে দারোগা ভয় ভিতি দেখাই।  সেই জন্য আমার ছেলে অতিরিক্ত   মাদক খেয়ে পাগলামি করছে স্যার ,সে পাগলনা  আপনি বিচার করে জেল দেন স্যার তা নাহলে আমরা কেউ নিরাপদ না। এ বিষয়ে নির্বাহী মেজিট্রেট সহকারী কমিশনার ভূমি আজগর আলী জানান, যেহেতু আমরা তাকে ঘটনা স্থান থেকে পাইনি পুলিশ ধরেছে তাহলে নিয়মিত মামলা হবে। এ বিষয়ে আমরা কিছু করতে পারবোনা। এ দিকে পুলিশ শরিফকে তার পরিবারের হাতে বুঝিয়ে দিয়েছেন। এ দিকে এলাকাবাসীর দাবি পুলিশ মাদক মুক্তকরবে তা না করে, পুলিশ যদি মাদক ব্যাবসায়ী ও মাদকাসক্ত  বানায় সাধারন মানুষ যাবে কোথায়?