১২, আগস্ট, ২০২০, বুধবার | | ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপনমুক্ত নীলফামারী জেলা সদর প্রথম

আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৯

তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপনমুক্ত নীলফামারী জেলা সদর প্রথম

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপনমুক্ত নীলফামারী জেলা সদর প্রথম হয়েছে। ধুমপান
ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ২০০৫ (সংশোধিত আইন ২০১৩) মতে বিড়ি
সিগারেট ও জর্দ্দার বিজ্ঞাপন লাগিয়ে প্রচার প্রচারণা চালানো দন্ডনীয়
অপরাধ। এরপরও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও কোম্পানী হাটে বাজারে কাটা পান দোকান
ও মোদি দোকানের সামনে খালি সিগারেটের প্যাকেট সাজিয়ে ও পোষ্টার ছাপিয়ে তা
ক্রেতাদের প্রদর্শন করে আসছিলেন। এ কারনে, সারা দেশে তামাকজাত দ্রব্যের
বিজ্ঞাপনমুক্ত ও গণসচেতনতায় ব্যাপক প্রচার শুরু করা হয়। এর মধ্যে এই
প্রচারনায় প্রথম হয় নীলফামারী জেলা সদর। শহরবাসীর সহযোগিতায় ও জেলা
প্রশাসনের উদ্দ্যোগে গণসচেতনতার পাশাপাশি আইনী পদক্ষেপের ফলে তামাকের
বিজ্ঞাপনমুক্ত হয়েছে। গণসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি গত তিন মাসে জেলা
প্রশাসনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে জেলা শহরকে
বিজ্ঞাপনমুক্ত করা হয়েছে। এ সময় আইন অমান্যকারী ১৩৩জনের বিরুদ্ধে
ভ্রাম্যমান আদালতে ৪১ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। জেলা
প্রশাসনের নেজারত ডিপুটি কালেক্টর (এনডিসি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক
মাহবুব হাসান মুঠোফোনে জানান, ১০৮ টি মামলায় ২৫ হাজার ৯০০ টাকা ও জেলা
প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোহরা সুলতানা ১৬টি মামলায় ১৫ হাজার
৮০০শত জরিমানার টাকা আদায় করেন। এর ফলে গোটা দেশের মধ্যে সিগারেটের
আকর্শনীয় বিজ্ঞাপনমুক্ত নীলফামারী জেলা সদর প্রথম হয়েছে। এ ব্যাপারে,
জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর (নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক) মো. আল-আমিন রহমান
জানান, তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপনমুক্ত উপজেলা হিসেবে নীলফামারী সদরকে
সারা দেশের মধ্যে প্রথম ঘোষনা করেন। আর এই ঘোসনায় জেলা প্রশাসনকে
সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ সময় সম্মাননা স্বারক গ্রহন করেন টাক্সফোর্স
কমিটির সভাপতি ও সাবেক জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন এবং ওই কমিটির সদস্য
সচিব সিভিল সার্জন ডা. রনজিৎ কুমার বর্মন। বর্তমান জেলা প্রশাসক হাফিজুর
রহমান চৌধুরি জানান, নীলফামারীকে তামাকমুক্ত করতে ধুমপান ও তামাকজাত
দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে বিজ্ঞাপন বন্ধে কাজ করে যাচ্ছি। জনসচেতনতা বৃদ্ধি
করে ও আইনের মাধ্যমে জেলা সদরকে বিজ্ঞাপনমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তিনি
বলেন, এই অভিযান অব্যাহত রয়েছে।