৩০, নভেম্বর, ২০২০, সোমবার | | ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

কারা আসছে নীলফামারী জেলা বিএপির নেতৃত্বে ? : ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব দেওয়ার দাবি তৃণমূল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের

আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০১৯

কারা আসছে নীলফামারী জেলা বিএপির নেতৃত্বে ? : ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব  দেওয়ার দাবি তৃণমূল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের


মো: নাঈম শাহ্, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
জেলা বিএনপির সাতটি ইউনিটের সম্মেলন শেষে এবার এসেছে জেলা বিএনপির
সম্মেলন। আগামি ১৪ নভেম্বর নীলফামারী জেলা বিএনপির সম্মেলনের তারিখ ঘোষনা
করা হয়। সম্মেলন ঘিরে নেতা কর্মীদের তেমন কোনো দেীড়ঝাপ দেখা না দিলে
তৃণমূলের নেতা কর্মীদের দাবি সুষ্ঠুভাবে ভোটের মাধ্যমে সঠিক নেতৃত্ব যেনো
বেছে নেওয়া হয়। জেলা বিএনপির দুইটি গুরুত্ব্ পদে কারা পদপ্রার্থী সে
বিষয়টি এখনো অস্পষ্ট হলেও তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলছেন জেলা
বিএনপির সভাপতি পদপ্রার্থী পদে দেখা যেতে পারে জেলা বিএনপির আহবায়ক
আলমগীর সরকার, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান জামান,
সাবেক ভিপি নিকসু ফরহানুল হক। সাধারণ সম্পাদক পদ প্রার্থী হিসেবে দেখা
যেতে পারে আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব জহুরুল আলম, জেলা বিএনপির যুগ্ম
আহবায়ক আনিছুর রহমান কোকো কে। সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে দেখা
যেতে পারে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহবায়ক প্রবীর গুহ রিন্টু, সাবেক
সহ সম্পাদক জেলা বিএনপি মোক্তার হোসেন, সাবেক সভাপতি সদর উপজেলা যুবদল
এস.কে মালেক। এছাড়া তৃণমূলের নেতা কর্মীরা মনে করছেন এবারের কমিটিতে দেখা
যেতে পারে তরুণদের।   জেলা বিএনপির সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে জেলা
বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীরের স্বাক্ষরিত আনিছুর আরেফিন চেীধুরীকে সভাপতি ও শামসুজ্জামান
জামান কে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এবং
চলতি বছরে জেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করে গত এপ্রিল মাসে জেলা
বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়। এতে আলমগীর সরকারকে আহবায়ক ও জহুরুল আলমকে
সদস্য সচিব করে কমিটি ঘোষনা করা হয়। জেলা বিএনপির আহবায়ক আলমগীর সরকারের
সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, গঠনতন্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী যদি একাধিক
প্রার্থী থাকে তাহলে কাউন্সিলর দের ভোটের মাধ্যমেই নেতৃত্ব আসবে। আর যদি
একাধিক প্রার্থী না থাকে তাহলে কেন্দ্রীয় নেতা ও কাউন্সিলরদের মতামতের
ভিত্তিতে কমিটি ঘোষিত হবে। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহুরুল আলম বলেন,
কেন্দ্রীয় নেতারা আসবে তারাই বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কমিটি গঠন করবেন।
যদি একাধিক প্রার্থী থাকে তাহলে কমিটি ডিকলার হবে এবং যদি একাধিক
প্রার্থী না থাকে তাহলে কাউন্সিলরাই নির্ধারণ করবে কাকে করলে ভালো হবে।
তিনি আরো বলেন, আমি সদস্য সচিব হিসেবে কাউন্সিলর যদি মনে করে আমাকে
সাধারণ সম্পাদক করবে করতে পারে।