১২, আগস্ট, ২০২০, বুধবার | | ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সালথায় রিজাউল করিম হত্যার বিচার চেয়ে মুক্তিযোদ্ধার সংবাদ সম্মেলন

আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০১৯

সালথায় রিজাউল করিম হত্যার বিচার চেয়ে মুক্তিযোদ্ধার সংবাদ সম্মেলন

শরিফুল হাসান, সালথা- ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের সালথায় আলোচিত রিজাউল করীম হত্যার বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সন্তান হারা এক বাবা মুক্তিযোদ্ধা। তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর বিকালে সালথা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।  সংবাদ সম্মেলনে রিজাউলের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কালাম (ইসছুর) মাতুব্বর এক লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ২০১৮ সালের ৩রা মে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারীর উপজেলায় অবস্থিত আলোর পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে আমার ছেলে মোঃ রিজাউল করিমকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে আলোর পথ মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র কতৃপক্ষ পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় বোয়ালমারী থানায় একটি হত্যা মামলা করি। অভিযুক্ত ৭ জন আসামীর মধ্যে পাঁচজন আসামী গ্রেফতার হয়। কিছুদিন পরে তারা জামিনে মুক্ত হয়ে জেল থেকে বেরিয়ে যায়। বাকি ১ও ২ নং আসামী পলাতক রয়েছে তাদেরকে ধরে  বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, কাদের মিয়া, হিরু মোল্যা, রুবেল হাসান, সাইফুল আলম প্রমূখ। মামলার এজাহার সুত্রে জানা গেছে, গত  বছরের (১৮ সালের) এপ্রিল মাসে সালথা উপজেলার রামকান্তুপুর ইউনিয়নের সালথা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কালাম (ইনছুর মাতুব্বর) তার ছেলে মোঃ রিজাউল করিম (৩২) মাদকাসক্ত হলে, তিন মাসের ১২ হাজার টাকার চুক্তিতে বোয়ালমারীর আলোর পথ মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্যে ভর্তি করে।  ভর্তি করার কয়েক দিন পরে নিরাময় কেন্দ্র কতৃপক্ষ বেগতীক ভাবে মারধর করিয়া হত্যা করে। পরে মৃত্যু অবস্থায় বোয়ালমারী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে তাকে ভর্তি করে। অভিভাবকদেরকে  মিথ্যে সংবাদ দিয়ে ডেকে নেয় ওই নিরাময় কেন্দ্র কতৃপক্ষ। পরে বোয়ালমারীর জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত দেহ পড়ে থাকতে দেখে তার পরিবার। পাশে ছিলো না ওই নিরাময় কেন্দ্রের কেউই। এঘটনার পর পালিয়ে যায় ওই আলোরপথ মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের লোকজন। এঘটনায় ওই নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক জাহিদ হাসানকে প্রধান আসামী করে মোট ৭ জনকে আসামী করে রিজাউলের বাবা মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কালাম (ইনছুর) বাদী হয়ে বোয়ালমারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন