২২, এপ্রিল, ২০২১, বৃহস্পতিবার | | ১০ রমজান ১৪৪২

চট্টগ্রামের চুয়েটে ‘ইনকিউবেটর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন্স-২০১৯’ শীর্ষক সেমিনার

আপডেট: নভেম্বর ১৮, ২০১৯

চট্টগ্রামের চুয়েটে ‘ইনকিউবেটর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন্স-২০১৯’ শীর্ষক সেমিনার

কাজী মোহাম্মদ শিহাবুদ্দীন (চট্টগ্রাম প্রতিনিধি)

১৮ নভেম্বর সোমবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিল কক্ষে, বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর যৌথ উদ্যোগে ‘ইনকিউবেটর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন্স-২০১৯’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম, এনডিসি এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী এবং চুয়েটে নির্মাণাধীন শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ন-সচিব) সৈয়দ জহুরুল ইসলাম। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কালিয়াকৈর ও অন্যান্য হাই-টেক পার্ক উন্নয়ন সহায়তা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ন-সচিব) এ.এন.এম. শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য মনোনীত চুয়েট প্রতিনিধি এবং ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হোসনে আরা বেগম বলেন, দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় চুয়েটের আগ্রহ ও আধুনিক ভিশনের কারণে দেশের প্রথম আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর এই ক্যাম্পাসে স্থাপিত হচ্ছে। এই ইনকিউবেটরকে যথাযথভাবে ব্যবহার করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে যথাযথ অবদান রাখার দায়িত্ব চুয়েট কর্তৃপক্ষের। এই প্রজেক্টের মাধ্যমে চুয়েটের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের দেশকে দেওয়ার অনেককিছুই আছে। বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থী-গবেষকদের অনেক সৃজনশীল আইডিয়া আছে। তাঁদের আইডিয়াগুলোকে দেশের উন্নয়নকাজে লাগাতে হবে। তিনি আরো বলেন, চুয়েটের ইনকিউবেটর পরিচালনার জন্য গাইডলাইন তৈরি করা হচ্ছে। এই গাইডলাইনের ভিত্তিতে দেশের অন্যান্য ইনকিউবেটর পরিচালনার গতিপ্রকৃতি নির্ধারিত হবে। চুয়েট এক্ষেত্রে পাইওনিয়ার হয়ে থাকবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, চুয়েটের শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। ৪র্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে সরকার এই ইনকিউবেটর নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আশা করছি চুয়েটের শিক্ষার্থী-গবেষকদের এই ইনকিউবেটরের সর্বোচ্চ সুবিধাটা গ্রহণ করতে পারবে। এর আগে সকালে চুয়েট ক্যাম্পাসে নির্মিতব্য শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের সাইট পরিদর্শন করেন। এ সময় চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর ও রেজিস্ট্রারসহ ইনকিউবেটর সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।