৩, মার্চ, ২০২১, বুধবার | | ১৯ রজব ১৪৪২

শেরপুরে ব্যাংকের জাল পে-অর্ডার দিয়ে চাল কেনার চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতারত ৩

আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০১৯

শেরপুরে ব্যাংকের জাল পে-অর্ডার দিয়ে চাল কেনার চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতারত ৩

এ.এম.আব্দুল ওয়াদুদ(শেরপুর জেলা প্রতিনিধি) শেরপুরে ব্যাংকের জাল পে-অর্ডার দিয়ে চাল কেনার চেষ্টার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে শেরপুর সদর থানার পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- জামালপুর জেলার রায়েরচর মোল্লাপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. আবুল হাসেম (৩৩), বন্দেরবাড়ি গ্রামের সোবহান সেকের ছেলে মোকছেদ আলী (৫৫) ও একই গ্রামের আজগর আলীর ছেলে মো. সুমন (৪০)। এঁদের মধ্যে হাসেম ও সুমন ট্রাক চালক এবং মোকছেদ ট্রাক বন্দোবস্তকারী। ২২ নভেম্বর শুক্রবার রাতে পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার এবং এ ঘটনায় ব্যবহৃত ট্রাক ও জাল পে-অর্ডারটি জব্দ করে। পরে ২৩ নভেম্বর শনিবার বিকেলে গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ চীফজুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে জনৈক নজরুল ইসলাম নিজেকে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল পরিচয় দিয়ে চালের আড়তদার উসমান আলীর নিকট মুঠোফোনে ১৭ মেট্রিক টন চাল কেনার কথা বলেন। এ জন্য তিনি ট্রাক বন্দোবস্তকারী মোকছেদ আলীর মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক, ঢাকার কাকরাইল শাখা থেকে ইস্যুকৃত ৮ লাখ ১০ হাজার টাকার একটি পে-অর্ডার প্রদান করেন। পরে আড়তদার উসমান শহরের নওহাটা এলাকার তারেক রাইস মিল থেকে উক্ত চাল সরবরাহের ব্যবস্থা করেন। সে অনুযায়ী ট্রাক চালক আবুল হাসেমের সহযোগিতায় আরেক ট্রাক চালক মো. সুমন একটি ট্রাক নিয়ে তারেক রাইস মিলে যান এবং ট্রাকে চাল বোঝাই করার কাজ শুরু করেন। এ সময় আড়তদার উসমান আলীর সন্দেহ হলে তিনি তাঁর পরিচিত এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে পে-অর্ডারটি দেখান। পরে প্রাথমিকভাবে এটি জাল বলে প্রমাণিত হলে তিনি (উসমান) সদর থানার পুলিশকে বিষয়টি জানান।

খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ তারেক রাইস মিলে গিয়ে মোকছেদ আলী, ট্রাক চালক সুমন ও আবুল হাসেমকে গ্রেফতার করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আমিনুল ইসলাম শনিবার বিকেলে সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনায় আড়তদার উসমান আলী বাদী হয়ে শেরপুর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত এবং ঘটনার মূল হোতা নজরুল ইসলামকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।