২৭, অক্টোবর, ২০২০, মঙ্গলবার | | ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

জয়পুরহাটে জমে উঠেছে শীতের জামা-কাপর বিক্রির হাট

আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০১৯

জয়পুরহাটে জমে উঠেছে শীতের জামা-কাপর বিক্রির হাট

জয়পুরহাট প্রতিনিধি ::

জয়পুরহাটে শীতের তীব্রতা আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্ন আয়ের ক্রেতাদের ভিড় জমতে শুরু করেছে শহরের রেলওয়ে স্টেশনের ভ্রাম্যমাণ মার্কেটে। ‘এই আপু-এই ভাই, দেইখ্যা লন, বাইছ্যা লন, একদাম এক রেট’ এভাবেই নিম্নবিত্ত নারী, পুরুষ ও তরুণ-তরুণীদের আকৃষ্ট করে তাদের মাঝে শীতের কাপড় বিক্রি করছেন এইসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।

জয়পুরহাট শহরের রেলওয়ে স্টেশনে গড়ে ওঠা ভ্রাম্যমাণ মার্কেটে শীতের কাপড় কিনতে ভিড় করছেন নানা শ্রেণি- পেশার ক্রেতারা। শীতের তীব্রতা আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন গরম পোশাক কিনছেন সবাই। উচ্চ আয়ের লোকেরা বিভিন্ন নামি-দামি মার্কেট থেকে গরম কাপড় কিনতে পারলেও গরিব ও নিম্ন আয়ের মানুষের একমাত্র ভরসা রেলওয়ে স্টেশনের ভ্রাম্যমাণ মার্কেটে বিক্রি করা শীতের কাপড়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রেলওয়ে স্টেশনে গড়ে ওঠা ভ্রাম্যমাণ মার্কেটে বাহারি রঙের শীতবস্ত্র বিক্রি হচ্ছে। গরিবদের পাশাপাশি অনেক উচ্চবিত্ত পোশাক কিনছেন এসব দোকান থেকে। ‘দেইখ্যা লন, বাইছ্যা লন, একদাম এক রেট’ দোকানিদের এমন হাঁকডাক শোনা যাচ্ছে। শীতের তীব্রতায় বাড়ছে এইটা জানান দিচ্ছে গরম কাপড় ক্রয়ের ভিড় দেখে। ফুটপাতের দোকানগুলোতে একটু দাম কম হওয়ায় বেচাকেনা জমে উঠেছে। শীত যত বাড়বে এ চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছে একাধিক ব্যবসায়ীরা।

একাধিক বিক্রেতা জানান, রেলওয়ে স্টেশনের এই মার্কেটে খুব কম দামে ক্রেতাদের সামর্থ্য মতো বিভিন্ন রকমের শীতের কাপড় পাওয়া যায়। প্রতি দিনই প্রায় শত শত নিম্নবিত্ত মানুষ শীতের কাপড় কিনতে বেছে নেই এই কম দামের দোকানগুলো। ক্রেতাদের চাহিদার কথা ভেবে ছোট-বড়দের জ্যাকেট, মাফলার, সোয়েটার, হাত মোজা, কোট, টুপি সবই মিলছে এসব দোকানে। এখানকার বেশিভাগ ব্যবসায়ীরা শুধু শীতের মৌসুমে কাপড় কেনা-বেচা করে থাকেন। বছরের অন্যান্য সময় এখানে তেমন দোকান না থাকলেও শীতকে কেন্দ্র করে এখানকার ব্যবসা জমজমাট হয়। এসময় বিক্রেতারাও ব্যস্ত সময় পার করছেন। এতে তারা ভালোই লাভবান হবেন বলে ধারনা তাদের।

ক্রেতারা জানান, শীত থেকে বাঁচতে এ মার্কেট থেকে পরিবারের সবার জন্য অনেক কম দামে আর ভালো শীতের পোশাক কিনতে পারি। যা দিয়ে আমরা শীতের মৌসুম ভালোভাবে পার করে দিতে পারি। আমাদের গরীবদের জন্য এই মার্কেট।