৮, জুলাই, ২০২০, বুধবার | | ১৭ জ্বিলকদ ১৪৪১

নির্ভয় ফাউন্ডেশন উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২০

নির্ভয় ফাউন্ডেশন উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি 
কনকনে শীত আর শৈত্যপ্রবাহে যখন জনজীবন বিপর্যস্ত তখন আলোকবর্তিকা হাতে এগিয়ে এসেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘নির্ভয় ফাউন্ডেশন’। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ ময়মনসিংহের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের একঝাক স্বপ্নগামী তরুণ একত্রিত হয়ে কাজ করছে নির্ভয়ের ছায়াতলে। “মানবতায় নির্ভয়” এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত দুই বছর ধরে শীতবস্ত্র প্রদান করে আসছে এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এরই ধারাবাহিকতায় এই শীতেও কয়েকটি ধাপে প্রায় দেড় শতাধিক এতিম শিশুকে শীতবস্ত্র প্রদান করে সংগঠনটি। গত ৩০শে ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ত্রিশালে একটি এতিমখানায় কম্বল বিতরণের মাধ্যমে তাদের এই কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিনের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে নির্ভয় ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. শেখ সুজন আলী, প্রভাষক মোঃ রফিকুল ইসলাম, তারিফুল ইসলাম, মাসুদুর রহমান সহ অন্যান্য শিক্ষকগণ উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানান এবং স্বেচ্ছাসেবকদের উৎসাহ প্রদান করেন।   এরপর ছোট ছোট ধাপে এই কার্যক্রম চলে ২রা জানুয়ারি পর্যন্ত। এইদিন ময়মনসিংহ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত মোমেনশাহী শিশু সদন (বালিকা) তে শীতবস্ত্র হিসেবে এতিম মেয়েদের মাঝে শীত নিবারক হুডি সোয়েটার প্রদান করা হয়। শিশু সদনের পরিচালক মোঃ শামসুল হক এবং ময়মনসিংহের প্রায় ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রম পরিচালনা করেন।  এতিমখানায় শীতবস্ত্র প্রদানের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্ভয় ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা  কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ আরিফুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি উদ্যোগে এই শীতে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন এবং বেশিরভাগই রাস্তায়-স্টেশনে থাকা মানুষ কিংবা গ্রামাঞ্চলে। কিন্তু শহরের ভেতরেও যে এতিমখানা নামে একটি জায়গা আছে যেখানে অনেক অসহায় বাবা-মা বিহীন শিশুরা রয়েছে, তাদের জন্য কিছু করার তাগিদ থেকেই আমরা এতিম শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।      উল্লেখ্য, নির্ভয় ফাউন্ডেশন ২০১৭ সাল থেকে সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস (এসডিজি) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে এবং বর্তমানে সংগঠনের দুইটি শাখার মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।