৬, জুলাই, ২০২০, সোমবার | | ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪১

তালতলীতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত -১৫

আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২০

তালতলীতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত -১৫

বরগুনা প্রতিনিধি: বরগুনার তালতলী উপজেলার গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় মালিপাড়া ছালেহিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার হলরুমে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে উপজেলা ছাত্রদল।উক্ত মতবিনিময় সভায় কেন্দ্রীয় নেতাদের বরন করা নিয়ে দুই গ্রুপের দফায়-দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহতরা হলেন- ছাত্রদলের সিঃ সহ সভাপতি রাশেদুজ্জামান রাসেল হাওলাদার, ছাত্র নেতা বেল্লাল রাজা, সজিব,বায়জিদ,রাজ্জাক, মাসুদ, সোহাগ,সাইফুল, সাইদুল,মামুন, বেল্লাল, ইমাম, জাহিদ, সহ ১৫ জন আহত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,বিকাল ৪টার দিকে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আতিকুর রহমান অসিমের সমার্থক ও ছাত্রদলের নেতা এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিয়া মো.মোস্তাফিজুর রহমান (মোস্তাক) সমার্থকদের মাঝে প্রবেশ পথকে কেন্দ্র করে বিকাল থেকে মাদ্রাসার মাঠে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে।একপর্যায় মাদ্রাসার হলরুমের মধ্যে কেন্দ্রীয় ও জেলা ছাত্রদলের নেতাদের সামনেই এবং উপজেলা ছাত্রদলের দুই নেতার সমার্থক কর্মীদের মাঝে দ্বিতীয় দফায় দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
এ সময় সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহের সময় ছাত্র দলের উঠতি নেতা রাকিবের দুর্ব্যবহারের  শিকার হন। পরে সাংবাদিকদের কাছে মাফ চান ছাত্রদলের  নেতা রাকিব।

সংঘর্ষের বিষয় সাংবাদিকরা জানতে চাইলে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আতিকুর রহমান অসিম বলেন,হামলার ঘটনা যারা ঘটিয়েছে, তারা ছাত্রদলের কেউনা, তারা বহিরাগত।এ সময় সাংবাদিকরা আবার ও প্রশ্ন করেন ছাত্রদল বহিরাগতদের  মতবিনিময় সভায় আনা হয়েছে? তখন তিনি বলেন, হয়তো কেউ ছাত্রদলের সুন্দর পরিবেশ  নষ্ট করার জন্য এ আলোচনা সভায় বহিরাগত এনেছেন।আর গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে যে আচরণ হয়েছে সে বিষয় আমরা লজ্জিত। 
ছাত্রদলের আরেক নেতা  এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান (মোস্তাক) এ’র মুঠোফোনে এ বিষয় জানতে চাইলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শেখ শাহিনুর রহমান জানান,থানা থেকে তারা কোন অনুমতি নেয়নি, এসপি স্যারের কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি নিয়ে আলোচনা সভা করেছে আর সংঘর্ষের বিষয়ে আমরা কোন অভিযোগ পাইনি।