২৫, সেপ্টেম্বর, ২০২০, শুক্রবার | | ৭ সফর ১৪৪২

প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় করাই উম্মে সালমার কাজ

আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২০

প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় করাই উম্মে সালমার কাজ


একের পর এক ছেলেদের প্রেমের নামে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করে যাচ্ছে উম্মে সালমা(২৫), পিতা নুরুল হুদা, সাং- পশ্চিম চাম্বল জয়নগর পাড়া, থানা- বাশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম, নুরুল হুদার মেয়ে উম্মে সালমা ২০০৫ সালে বাবুল নামের এক ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০০৬ সালে উম্মে সালমা বাবুল এর সাথে পালিয়ে গিয়ে দুইজন বিবাহ করে। ১ বছর পর তাদের ১টি কন্য সন্ত্রান জন্মগ্রহন করে। তারা গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকায় বাসা-ভাড়া নিয়ে থাকতেন ও তারা দুজনে গামেন্টর্সে চাকুরী করিতেন। সালমা প্রতি সপ্তাহে দুই/তিন দিন রাতে বাড়িতে আসতেন না,তার স্বামী বাবুল মিয়া সালমা কে জিজ্ঞাসা করলে বলতেন আমার ওভারটাইম ছিল তাই বাসায় আসতে পারিনাই। এভাবে কিছুদিন জাওয়ার পর বাবুল মিয়া জানতে পারে যে অন্য ছেলের সাথে সালমার সম্পর্ক আছে এবং এনিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে জগড়া সৃষ্টি হয়। দুই দিন পর সালমা তার লোকজন দিয়ে তার স্বামী বাবুল মিয়াকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।সালমা তার নতুন প্রেমিককে নিয়ে গাজীপুর বাইপাস এলাকায় বাসা-ভাড়া নিয়ে থাকেন, তিন মাস পর তার নতুন প্রেমিককে তার আপত্তিকর ছবি দেখিয়ে নগদ টাকা দাবী করে ও টাকা না দিলে থানায় যাবে ও ছবিকে ফেইসবুকে, ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিবে বলে হুমকি দেয়। তার ভয়ে ঐ ছেলে কিছু টাকা দিয়ে সালমার কাছ থেকে চলে যায়, তার চলে যাওয়ার কিছুদিন পর আবার কাউসার নামের এক ছেলের সাথে সম্পর্ক হয় সালমা কাউসারের কাছ থেকে টাকা ধার নিতে থাকে প্রায় ছয় মাস পর সালমা কাউসারের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করলে তাদের দুজনের মধ্যে জগড়া বেধে গেলে কাউসারকেও আগের দুজনের মতোও লোক ভাড়া করে এনে তাকে মারধর করে ঐখান থেকে বাসা ছেড়ে দেয়।তারপর সে আবার গাজীপুর বড়বাড়ী পিয়ারা বাগান এলাকায় নতুন বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন এবং সেখানেও শুরু হয় তার পুরাতন দেহ ব্যবসা ৩/৪ মাস পর এলাকার লোকজন কিছুটা টের পেলে সে বাসা ছেড়ে দিয়ে গাজীপুর ভোটবাজার এলাকায় সুলতান মেডিকেলের ৬ষ্ঠ তালায় এক মহিলার সাথে মিলে বাসা নেন ২০১৬ সালে। সে বাসায় চালিয়ে যায় তার দেহ ব্যবসা সে বাড়িতে অবস্থান করে প্রায় এক মাসের মধ্যে এলাকায় জানাজানি হলে ঐ এলাকার একজন লোক নূরা ওরফে (নূরা পাগলা) নামে পরিচিত সে জানতে পেরে সুলতান মেডিকেলের ৬ষ্ঠ তালায় উম্মে সালমার রুমে ডুকে তাকে দুজন ছেলের সাথে তাকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরে মারধর করলে নূরা পাগলাকে কিছু টাকা দিয়ে ঐ রাতেই সেই এলাকে ছেড়ে নিজ দেশের বাড়িতে চলে যায়।কিছু দিন পরে সালমা নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় ২০১৭ সালে পাওয়ার হাউজ এলাকায় এসে তার দুসর্ম্পকের খালার বাসায় এসে থাকতে শুরু করেন কিছু দিন পরে এক ছেলের সাথে সম্পর্ক হয় এবং ঐ ছেলেকে নিয়ে নিজের স্বামী পরিচয় দিয়ে পাওয়ার হাউজ এলাকায় কাঠের পুলের পশ্চিম পাশের্^ র‌্যাবের বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। বাড়ীয়ালা সালমার চলাফেরা ভালো না দেখে ১৫ দিনের মাথায় সালমাকে বাড়ি ছেড়ে দিতে বলেন । এই কথা শুনে সালমা বাড়ি ওয়ালার সাথে ঝগড়া লেগে ১দিনের মধ্যেই বাসা ছেড়ে দিয়ে গ্যাস লাইন মোতাহার সাহেবের বাড়ীতে বাসা ভাড়া নেন ঐ ছেলেকে নিয়ে থাকতে শুরু করেন ছয় মাস পরে সালমা তার স্বামী পরিচয়ের ছেলের কাছ থেকে সে ৫০,০০০/- টাকা দাবী করে। ঐ ছেলে বলে তোমাকে প্রতি মাসে বাসা ভাড়ার জন্য ৫,০০০/- করে দিচ্ছি। আমি একসাথে এত টাকা দিতে পারব না। সালমা বলে এত টাকা দিতে না পারলে আমার কাছ থেকে চলে  যাও। ভালো কথা প্রতি মাসে বাসা ভাড়া দিয়ে যেও। ছেলেটি বলে আমি এক টাকা ও দিব না, সালমা বলে এতদিন আমার সাথে থাকছ তোমার অনেক ছবি ও ভিডিও আমার কাছে আছে সব ফেইসবুকে ছেড়ে দিব এইভয়ে ছেলেটি টাকা দিতে রাজি হয় বলে ঠিক আছে আমি প্রতি মাসে বাসা ভাড়া দিব আমাকে আর ডিষ্ট্রাব করবে না, সালমা বলে ঠিক আছে আর ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দিতে হবে। ছেলেটির কাছ থেকে  ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা নিলেন আর প্রতি মাসে ভাড়া বাবদ পাঁচ হাজার করে টাকা নিতে থাকেন, এইভাবে এক বছর চলে যায়। সালমার রুমের সাথে ব্যাচেলর রুম আছে। তাদের সাথে সালমার ভালো সম্পর্ক হয় এই ব্যাপারে বাড়ী ওয়ালা কিছু জানতে পারলে সালমাকে বাসা ছেড়ে দিতে বলে, সালমা বাড়ীওয়ালার কাছ থেকে ১মাসের সময় নেন। এক মাস পরে কদমতলী পশ্চিম পাড়া মন্টু সাহেবের বাড়ীর ৫তলা রুম নং-৫০২ ভাড়া নেয় দুই রুমের ফ্ল্যাট।  এক রুমে ফ্যামিলি বাসায় থাকে একজন ভদ্র মহিলা পাশে^র  রুমে সালমা। একদিন রাতে সালমার রুমে সালমার সাথে একটি ছেলেকে ঢুকতে দেখে পাশে^র রুমের ভদ্র মহিলা রাতে তাকে কিছু বলেনাই। সকালে সালমাকে বলেন আপা আপনিত রুম নেওয়ার সময় বলেছিলেন আপনার স্বামী নেই, সালমা বলে আপা ছেলেটি আমার ভাই হয়। কয় দিন পর রাতে সালমার রুমে ছেলেদের শব্দ শুনতে পেয়ে পাশের রুমের ভদ্র মহিলা সালমার রুমের দরজা খুলতে বলে সালমা দরজা খুললে মহিলা সালমার রুমে একজন অপরিচিত ছেলেকে দেখে  জিজ্ঞাসা করলে সালমা বলে আপা আমার স্বামী হয়। মহিলা বলে আপা সেদিন বললেন ভাই হয় আবার আজ বললেন স্বামী, মহিলা বলে সালমা আপা আপনার জন্য আমাদের ও মান-ইজ্জত যাবে। বাড়ীওয়ালা জানার আগেই আপনে বাসা ছেড়ে দেন। সালমা দুদিনের মধ্যে বাসা ছেড়ে দিয়ে কদমতলী উত্তরপাড়া বেপারী ভিলায় বাসা ভাড়া নেন। এরই মধ্যে মোতাহার সাহেবের বাড়ীর জে ছেলের সার্থে অবৈধ সম্পর্ক ছিল তার কাছ থেকে আবারও ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা দাবী করে। ছেলেটি এই কথা শুনে একজন সাংবাদিক এর সাহায্য নেন। সাংবাদিক সালমাকে জিজ্ঞাসা করলে সালমা বলে তার কাছ থেকে আমি কোন টাকা নেই নাই। আপনে এই ব্যাপারে  আসবেন না ঐ ছেলে আমাকে ডিস্ট্রার্ব করে তার নামে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় জিডি করেছি আপনার ফোন নাম্বার দেন পরে আপনার সাথে যোগাযোগ করব। এই বলে সালমা চলে যায় গত ২৫শে অক্টোবর ২০১৯ সালমা সাংবাদিক কে ফোন দিয়ে নিয়ে যায় আদমজী এপিজেড গেইটের সামনে। সালমা সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এস আই কে নিয়ে  এসে সাংবাদিক রবি কে থানায় ডেকে নিয়ে সালমা বাদী হয়ে সাংবাদিক রবির নামে একটি ধর্ষনের মামলা দায়ের করে। মামলা নং- ৫২-ধারা-৯(১) এই ব্যাপারে রবি এসআই কে বলে আপনি কোন প্রমান ছাড়া কিভাবে মামলা টি লিখলেন। আগে তদন্ত ও মেডিকেল করেন আমি তাকে ধর্ষন করেছি কি না এবং সে ধর্ষিতা কিনা। এই কথা শুনে রবিকে বে-পরোয়া মারধর করে চালান করে দেয়। একমাস সাতদিন পর সাংবাদিক রবি জামিনে বের হয়। জামিনের সময় মাননীয় জজ সাহেব বাদী উম্মে সালমাকে ৩/৩ বার কোর্টে হাজির হতে বললেও সে উপস্থিত হয় নি। এই পর্যন্ত সালমার খবর নিয়ে পাওয়া যায়।আর কত জীবন ধ্বংস করবে গার্মেন্টস কর্মী উম্মে সালমা।