১, অক্টোবর, ২০২০, বৃহস্পতিবার | | ১৩ সফর ১৪৪২

নীলফামারীতে ৯৮ জন শিক্ষার্থী এস.এস.সি পরীক্ষা দিল সাড়ে ৪ ঘন্টা

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২০

নীলফামারীতে ৯৮ জন শিক্ষার্থী এস.এস.সি পরীক্ষা দিল সাড়ে ৪ ঘন্টা

মোঃ নাঈম শাহ্, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারী রাবেয়া বালিকা বিদ্যা নিকেতন স্কুল কেন্দ্রের ৯৮ জন এস.এস.সি পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিলো প্রায় সাড়ে ৪ ঘন্টা। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) শুরু হয়েছে এস.এস.সি পরীক্ষা ২০২০। কিন্তু নীলফামারী রাবেয়া বালিকা বিদ্যা নিকেতন কেন্দ্রের ৫ ও ৮ নং কক্ষের ৯৮ জন পরীক্ষার্থী পুরাতন সিলেবাসে ২০১৮ সালের প্রশ্নের ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট পরীক্ষা দিল । রাবেয়া বালিকা বিদ্যা নিকেতনের প্রধান শিক্ষক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ মহাফিজুর রহমান খান জানায়, পরীক্ষা শুরু হয় সকাল ১০ টায়, পরীক্ষার সময় ১ঘন্টা ৩০ মিনিট চলে যাওয়ার পর ১১টা ৩০ মিনিটে পরীক্ষারত শিক্ষার্থী দায়িত্বরত শিক্ষককে জানায় স্যার এটা তো আগের সিলেবাসে আমাদের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। তৎক্ষনাৎ ঐ কেন্দ্র নিয়োজিত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পুরোনো সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া বন্ধ করে দেয়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুরাতন সিলোবাসের প্রশ্নপত্র পরীক্ষার্থীদের দেওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমাদের কেন্দ্রে পুরাতন সিলেবাস অর্থাৎ ২০১৮ সালের অনিয়মিত একজন পরীক্ষার্থী ছিল সেই পরীক্ষার্থীর জন্য প্রশ্ন্পত্র বের করতে গিয়ে গোলমালের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীদের এই রকম হয়রানি করার বিষয়ে তিনি বলেন, ভুলতো হয়ে গেছে এখন আমাদের দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া আর কী করার আছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহামান চেীধুরীর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, দিনাজপুর বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সাথে কথা বলে তাদের নির্দেশনা মোতাবেক ১১ টা ৫০ মিনিটে আবার নতুন সিলেবাসে লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। রাবেয়া বালিকা বিদ্যা নিকেতন কেন্দ্রের মোট পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিলো ৬২০ জন পরীক্ষা চলাকালিন সময় এক পর্যায়ে বাকি পরীক্ষার্থী পরীক্ষা শেষ করে বের হয়ে গেলে অবশিষ্ট ৯৮ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবকবৃন্দরা তাদের সন্তানের কথা বললে এক পর্যায়ে স্কুল প্রশাসনের ধস্তাধস্তি হয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনি ঘটনাস্থলে এসে পরিবেশ স্বাভাবিক করে। এক পরীক্ষার্থীর অভিভাবক রিনা খাতুন জানায়, আমার ছেলে সকালে পরীক্ষা দিতে আসে এবং সে ভয়ে ভয়ে কিছু খেয়েও আসে নি। টানা ৫ ঘন্টা পরীক্ষা তারা কেমন করে দিবে ?  আর তাদের পরীক্ষাই বা কেমন হবে শুরুতেই যদি ভুল হয় শেষটা কেমন হবে। তাদের প্রথমবার ভুল প্রশ্নের পরীক্ষা নেওয়াতে আমাদের সন্তানের ফলাফল যদি খারাপ হয় বা তারা যদি পরীক্ষা অকৃতকার্য হয় এর দায়ভার কে নিবে ? সেই ৯৮ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা শেষ হয় দুপুর ২ টা ২৬ মিনিটে তারা বের হয়ে জানায়, আমাদের পরীক্ষায়  লিখতে হবে ৭টি সৃজনশীল প্রথমবারে আমাদের প্রায় ৫ টি সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লিখা শেষ হয়ে গেছে তারপর লক্ষ করি পুরাতন সিলেবাসে পরীক্ষা। তারপর আমাদের আবার পরীক্ষা নেওয়া হলে লিখতে লিখতে আমাদের হাতের ব্যাথা উঠে যায় আমরা ভালো করে পরীক্ষা দিতে পারি নি এবং এই বিষয়ে ফলাফল টা যে কেমন হবে জানি না। আর আমাদেও ফলাফল খারাপ হলে দায়ভার কে নিবে।