১৮, ফেব্রুয়ারি, ২০২০, মঙ্গলবার | | ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

তাড়াইলে তিনদিনব্যাপী ইসলাহী ইজতেমা

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২০

তাড়াইলে  তিনদিনব্যাপী ইসলাহী ইজতেমা

মো. আনোয়ার হোসাইন, তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ 
 
কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। তিনদিনব্যাপী ইসলাহী ইজতেমা। 
জানা যায়, ১৪ ফেব্রুয়ারি (২০২০) শুক্রবার জুমআর নামাযের মধ্যদিয়ে শুরু হতে যাওয়া এ ইসলাহি ইজতেমা আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ১৬ ফেব্রুয়ারি রোববার সকালে। তিনদিনব্যাপী ইজতেমার বিভিন্ন পর্বে ইসলাহী বয়ান, আম বয়ান, বিশেষ বয়ান, কোরআন তালিম-তেলাওয়াত, জিকির ও দুরূদের আমলসহ ধারাবাহিক আত্মোন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবেন আগত মুসল্লিরা। ইতিমধ্যেই ইসলাহী ইজতেমার সবধরণের আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজক কমিটি।

এবারের ইসলাহী ইজতেমা আন্তর্জাতিক-আলমি ইজতেমায় রূপ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে ইজতেমা কর্তৃপক্ষ। শুরুতেই পবিত্র জুমার বয়ান এবং নামাজ পড়াবেন ভারতের জমিয়তে উলামা হিন্দের জাদরেল নেতা, ভারতের প্রাচীন মাদরাসা ‘আমরুহা মাদরাসার’ সদরুল মুদাররিস ও মুহাদ্দিস মাওলানা ক্বারী আফ্ফান মনসুরপুরী দা.বা.।

মানুষকে আল্লাহর পথে আসার আহবান ও মানুষের মনে আল্লাহ তায়ালার ভালোবাসার উন্মেষ ঘটানোর উপায় এবং মানুষের নৈতিক উন্নয়নের দাওয়াত নিয়ে বৃহস্পতিবার থেকেই তাড়াইলের বেলংকায় আওলাদে রাসূল হজরত আসআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ অবস্থান গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

এছাড়াও এবারের ইসলাহী ইজতেমায় লন্ডনের মেহমান কাসেম নানুতাবী রহ. এর বংশধর, ইকরা টিভি ও আল খায়ের ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা ইমাম কাসেম রশিদ আহম্মদ দা.বা. ও সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী রহ.-এর সাহেবজাদা মাওলানা সাইয়্যিদ মওদুদ মাদানীও উপস্থিত থাকবেন। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্মান খাঁন কামালও আখেরী মোনাজাতে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, প্রতিবছরই শীতের সৃজনে তাড়াইল উপজেলার জাওয়ার ইউনিয়নের   বেলংকা ইছাপশর জামিয়াতুল ইসলাহ আল-মাদানিয়াম ময়দানে বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান, আওলাদে রাসূল হজরত আসাদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের আহ্বানে মানুষের আধ্যাত্মিক পরিবর্তনের প্রত্যাশায় ভাটির মানুষের দ্বীনী উন্নয়নে ইসলাহী মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া পড়েছে এই ইজতেমার। এখানে বিশেষ ব্যবস্থায় নারীদের জন্যও আলাদা একবার আলোচনা শোনার সুযোগ আছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থী, শিক্ষক, যুবক-তরুণদের জন্যও আলাদা আলাদা বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদিনই বাইয়াতেরও সুযোগ থাকে। প্রতিবছরই কেউ না কেউ হযরতের খেলাফত লাভেও ধন্য হন।