১০, জুলাই, ২০২০, শুক্রবার | | ১৯ জ্বিলকদ ১৪৪১

কলাপাড়া পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে সপ্নের ঠিকানায় কারিগরি ইনিষ্টিটিউটের শুভ উদ্বোধন

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০

কলাপাড়া পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে সপ্নের ঠিকানায় কারিগরি ইনিষ্টিটিউটের শুভ উদ্বোধন

রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি ঃ পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য নির্মানাধীন পুনর্বাসন কেন্দ্র স্বপ্নের ঠিকানায় স্থানীয়দের বিনা খরচে বিভিন্ন ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ-চায়না টেকনিক্যাল ইনিষ্টিটিউটের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ইনিষ্টিটিউটের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড (বিসিপিসিএল) -এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ.এম খোরশেদুল আলম। এসময় সহকারী ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মিঃ চি, প্রকল্প পরিচালক শাহ আবদুল মাওলা সহ প্রকল্পের বিভিন্ন কর্মকর্তাগন, শিক্ষার্থী ও অবিভাবকগন উপস্থিত ছিলেন।

ইনিষ্টিটিউটটিতে প্রাথমিক পর্যায়ে কম্পিউটার, ইলেক্ট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল এই তিন ট্রেডে ৪৫ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়। পর্যায়ক্রমে এখানে ভাষা শিক্ষা সহ আরো বিভিন্ন কোর্স চালু করার মাধ্যমে স্থানীয়দের কারিগরিভাবে সাবলম্বী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড (বিসিপিসিএল)।ব্যাবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ.এম খোরশেদুল আলম বলেন, এ বিদ্যালয় থেকে কারিগরি শিক্ষা দেয়া হবে। দেশের উন্নয়ন করতে হলে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই। এখান থেকে যে শিক্ষার্থী বের হবে তারা কারিগরি জ্ঞান নিয়ে বের হবে। এখানের ছেলে মেয়েরা চারটি ভাষা ও কারিগরি জ্ঞান অর্জন করতে পারবে। তারা বিদেশে গিয়ে ভাষা নিয়ে জটিলতায় পরবে না।

কলাপাড়া পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে সপ্নের ঠিকানায় কারিগরি ইনিষ্টিটিউটের শুভ উদ্বোধন \

রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি ঃ পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য নির্মানাধীন পুনর্বাসন কেন্দ্র স্বপ্নের ঠিকানায় স্থানীয়দের বিনা খরচে বিভিন্ন ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ-চায়না টেকনিক্যাল ইনিষ্টিটিউটের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ইনিষ্টিটিউটের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড (বিসিপিসিএল) -এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ.এম খোরশেদুল আলম। এসময় সহকারী ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মিঃ চি, প্রকল্প পরিচালক শাহ আবদুল মাওলা সহ প্রকল্পের বিভিন্ন কর্মকর্তাগন, শিক্ষার্থী ও অবিভাবকগন উপস্থিত ছিলেন।

ইনিষ্টিটিউটটিতে প্রাথমিক পর্যায়ে কম্পিউটার, ইলেক্ট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল এই তিন ট্রেডে ৪৫ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়। পর্যায়ক্রমে এখানে ভাষা শিক্ষা সহ আরো বিভিন্ন কোর্স চালু করার মাধ্যমে স্থানীয়দের কারিগরিভাবে সাবলম্বী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড (বিসিপিসিএল)।ব্যাবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ.এম খোরশেদুল আলম বলেন, এ বিদ্যালয় থেকে কারিগরি শিক্ষা দেয়া হবে। দেশের উন্নয়ন করতে হলে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই। এখান থেকে যে শিক্ষার্থী বের হবে তারা কারিগরি জ্ঞান নিয়ে বের হবে। এখানের ছেলে মেয়েরা চারটি ভাষা ও কারিগরি জ্ঞান অর্জন করতে পারবে। তারা বিদেশে গিয়ে ভাষা নিয়ে জটিলতায় পরবে না।