২২, এপ্রিল, ২০২১, বৃহস্পতিবার | | ১০ রমজান ১৪৪২

লাশকাটা ঘর সরাতে নারাজ সিভিল সার্জননাগরিক ফোরামের প্রতিবাদ বিবৃতি

আপডেট: মার্চ ৭, ২০২০

লাশকাটা ঘর সরাতে নারাজ সিভিল সার্জননাগরিক ফোরামের প্রতিবাদ বিবৃতি


ঝালকাঠি প্রতিনিধি////ঝালকাঠির আবাসিক এলাকা থেকে লাশকাটা ঘর অপসারণের দাবি সংক্রান্ত একটি সংবাদ সম্প্রতী বিভিন্ন মিডিয়ায় ব্যাপক ভাবে প্রচার ও প্রকাশ হয়েছে। যা ছিলো ঝালকাঠির টক অব দ্যা টাউন। জনসাধারনের দীর্ঘদিনের এ দাবীর সাথে একাত্ততা প্রকাশ করেছে ’ঝালকাঠি নাগরিক ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে গত ৪ মার্চ বুধবার ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীর নিকট একটি স্মারকলিপিও প্রদান করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মিডিয়া কর্মীদের বলেন, এলাকাবাসীর যৌক্তিক দাবী, বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ এবং নাগরিক ফোরামের স্মারকলিপি সব মিলিয়ে বিষয়টি আমি গুরুত্ব সহকারে দেখছি। ঝালকাঠিতে যিনি সিভিল সার্জন আছেন তার সাথে কথা বলবো, যাতে দ্রুত লাশকাটা ঘরটি অপসারন করা যায়। এদিকে লাশকাটা ঘরটি এখই অপসারন নয়, এমনটাই মন্তব্য করেছেন সিভিল সার্জন শ্যামল কৃষ্ণ হাওলাদার। আর এ ধরনের মন্তব্যে হতাশ ঝালকাঠির আপামর জনসাধারন। সিভিল সার্জন বলেছেন, হাসপাতালে কম্পাউন্ডে আড়াইশ শয্যা বিষিষ্ট্য বহুতল একটি নতুন ভবন নির্মান কাজ শুরু হয়েছে। এটি নির্মান হলে সেই ভবনেই লাশকাটা হবে। সিভিল সার্জনের মতো দায়িত্বশীল সরকারী কর্মকর্তার এমন মনগরা বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে, ঝালকাঠি নাগরিক ফোরাম।     ৭ মার্চ শনিবার লিখিত এক  বিবৃতিতে নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর জানিয়েছেন, জনগুরুত্বপূর্ন একটি ইস্যুকে বানচাল করতে সিভিল সার্জন সাংবাদিকদের কাছে এমন বক্তব্য ছুরেছেন। সেইসাথে তিনি লাশকাটা ঘরটি অপসারন সিদ্ধান্তে গড়িমসি শুরু করেছেন। নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নতুন ভবনে নয়, ফ্রিজসহ লাশকাটা ঘর হাসপাতাল কম্পাউন্ডে প্রস্তুত আছে। যেখানে হাসপাতালের কর্মচারী বসবাস করে। সেই ঘরেই স্থানান্তর করার দাবী জানানো হয়েছে। নতুন ভবনে রোগীর বেড, ফার্মেসী, ল্যাবরুম সহ অনন্যা জরুরী বিষয়ের কক্ষ থাকবে সেই ভবনের মধ্যে লাশ রাখার ঘড়ও থাকবে কিন্তু লাশ পোষ্টমর্টেম করার কক্ষ থাকবেনা এমনটাই খোঁজ নিয়ে যানা গেছে। নাগরিক ফোরাম সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মকর্তারা পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে, এইসব টালবাহানা বন্ধ করে দ্রুত চলতি মার্চ মাসেই বিকনার লাশকাটা ঘরটি সদর হাসপাতাল কম্পাউন্ডের মধ্যে থাকা ডোমঘরে স্থানান্তর করা হোক এবং ঐ কক্ষে বসবাসরত হাসপাতাল কর্মচারীকে বের করে দেয়া হোক। অন্যথায় নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে কঠোর আন্দোলনের ঘোষনা দেয়া হবে।