২৭, নভেম্বর, ২০২০, শুক্রবার | | ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

সচেতনতা করে স্বস্তি ফিরে আনতে সেনাবাহিনী কাজ করছে

আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২০

সচেতনতা করে স্বস্তি ফিরে আনতে সেনাবাহিনী কাজ করছে

হাসানুজ্জামান হাসান, লালমনিরহাটঃ
 প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করে স্বস্তি ফিরে আনতে সেনাবাহিনী কাজ করছে বলে জানিয়েছেন রংপুর এলাকার সেনাবাহিনীর অধিনায়ক ও ৬৬তম পদাতিক বিভাগের মেজর জেনারেল নজরুল ইসলাম (জিওসি)।
বুধবার(১এপ্রিল) দুপুরে লালমনিরহাট সার্কিট হাউজে করোনা মোকাবেলা পরস্পর সহযোগিতামূলক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা। তাই প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের কাছে পর্যন্ত যাওয়া হচ্ছে। সেনাবাহিনীর সর্বতোভাবে চেষ্টা করবে যে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স এবং সচেতনতা বৃদ্ধির করা।
আতঙ্ক সৃষ্টি করা নিয়ে মেজর জেনারেল নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কিছু মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষদের আতঙ্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। আতঙ্কের কিছু নেই, বাংলাদেশে পরীক্ষা-নিরীক্ষা পর্যাপ্ত পরিমানের কিট রয়েছে। একই চিকিৎসক রয়েছে। তাই বাংলাদেশের মানুষের চিন্তার কোন কারণ নেই। জ্বর,স্বর্দি ও কাশি হলে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিন।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করে স্বস্তি ফিরে আনতে সেনাবাহিনী কাজ করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রাষ্ট্রের একটি অন্যতম অঙ্গ সংগঠন। আমরা এই সামাজের নাগরিক, আমরা চাই যে সরকারের দেয়া সকল আর্থিক এবং অন্যান্য অনুদান গুলো যথাযথভাবে সঠিক ব্যক্তির নিকট সঠিক সময়ে পৌঁছে যায়। এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বিধান করা তাও আমাদের অন্যতম একটি দায়িত্ব।
এসয়য় উপস্থিত ছিলেন,লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর, পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা, সিভিল সার্জন ডা. নির্মলেন্দু রায় জেলার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

সচেতনতা করে স্বস্তি ফিরে আনতে সেনাবাহিনী কাজ করছে”
হাসানুজ্জামান হাসান, লালমনিরহাটঃ
 প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করে স্বস্তি ফিরে আনতে সেনাবাহিনী কাজ করছে বলে জানিয়েছেন রংপুর এলাকার সেনাবাহিনীর অধিনায়ক ও ৬৬তম পদাতিক বিভাগের মেজর জেনারেল নজরুল ইসলাম (জিওসি)।
বুধবার(১এপ্রিল) দুপুরে লালমনিরহাট সার্কিট হাউজে করোনা মোকাবেলা পরস্পর সহযোগিতামূলক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা। তাই প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের কাছে পর্যন্ত যাওয়া হচ্ছে। সেনাবাহিনীর সর্বতোভাবে চেষ্টা করবে যে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স এবং সচেতনতা বৃদ্ধির করা।
আতঙ্ক সৃষ্টি করা নিয়ে মেজর জেনারেল নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কিছু মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষদের আতঙ্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। আতঙ্কের কিছু নেই, বাংলাদেশে পরীক্ষা-নিরীক্ষা পর্যাপ্ত পরিমানের কিট রয়েছে। একই চিকিৎসক রয়েছে। তাই বাংলাদেশের মানুষের চিন্তার কোন কারণ নেই। জ্বর,স্বর্দি ও কাশি হলে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিন।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করে স্বস্তি ফিরে আনতে সেনাবাহিনী কাজ করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রাষ্ট্রের একটি অন্যতম অঙ্গ সংগঠন। আমরা এই সামাজের নাগরিক, আমরা চাই যে সরকারের দেয়া সকল আর্থিক এবং অন্যান্য অনুদান গুলো যথাযথভাবে সঠিক ব্যক্তির নিকট সঠিক সময়ে পৌঁছে যায়। এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বিধান করা তাও আমাদের অন্যতম একটি দায়িত্ব।
এসয়য় উপস্থিত ছিলেন,লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর, পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা, সিভিল সার্জন ডা. নির্মলেন্দু রায় জেলার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।