২৮, অক্টোবর, ২০২০, বুধবার | | ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

রোকসানা হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন সহপাঠী ও সর্বস্তরের জনগন

আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২০

রোকসানা  হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন সহপাঠী ও সর্বস্তরের জনগন


মো জাফর ইসলাম ভোলা প্রতিনিধি: শনিবার বেলা ১২ টার সময়  ভোলা  দৌলতখান উপজেলার খায়ের হাট  ৩০ শয্যা বিশিষ্ট  হাসপাতালের সামনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে  প্রায়  শতাধিক মানুষ রাস্তার দুপাশে দাড়িয়ে মানব বন্ধন করেন।এ সময় মানব বন্ধনে অংশ নেন ছাএছাএী সহপাঠীসহ এলাকার সর্বস্তরের জনগন  উপস্থিত নির্যাতিত মৃত রোকসানার পিতা আবুল  কাশেম বলেন  চার মেয়ের মধ্যে রোকসানা বেগম সবার ছোট এবং লেখা পড়ায় ভালো ছিলো।তিনি বলেন,গত নভেম্বর ২০১৯ এ ভোলা সরকারি কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স প্রথম বর্ষে পড়ুয়া তার মেয়ে রোকসানা (২৪) কে একই এলাকার নূর মোহাম্মদ এর ছেলে অশিক্ষিত ও গাড়ির চালক মোঃ রুবেল প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাড়ি থেকে নিয়ে বিয়ে করে। পরিবারের অমতে বিয়ে করার ফলে কাশেম বা তার পরিবার মেয়ের সাথে কোন যোগাযোগ রাখেনি।হঠাৎ করে গত ১০ ই জুন বিকালে আনুমানিক  ৫ টার পর মেয়ের চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজন ছুটে এসে দেখে মেয়ের সারাশব্দ নেই। তখন জামাই রুবেল ও মেয়ের আত্বীয় স্বজন মিলে মেয়েকে কাছের ৩০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেয় এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ রাকিব রোকসানাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।এ সময় ঘটনার সময় দৌড়ে আসা প্রতিবেশি মোঃ হাফেজ এর স্ত্রী রেহানা বলেন,”রুবেলের চিৎকার শুনে আমি দৌড়ে এসে দেখি রোকসানাকে ধরে রুবেল দাড়িয়ে আছে এবং সবাইকে তেল পানি দিতে বলতেছে। তখন তেল পানি দিয়েও যখন রোকসানার সারা নেই তখন রুবেল তার বড় বোনকে ফোন দিয়ে নেন এবং  সবাই ধরাধরি করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং ডাঃ মৃত ঘোষনা করেন।এদিকে মৃত রোকসানার চাচা আবু  তাহের বলেন,মৃত্যুর পর আমরা দৌলতখান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি।এ সম্পর্কে দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)বজলের রহমান বলেন,অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। কিন্তু পারিপার্শিক অবস্থা ও প্রত্যক্ষ স্বাক্ষিদের ভাষ্যমতে এটা হত্যার ইঙ্গিত দিলেও আপনারা  তদন্ত করছেন না কেন এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন তদন্ত চলছে।অন্যদিকে সরেজমিনে দেখা যায়,রোকসানর সহপাঠি ও এলাকার সর্ব সাধারণ  মানব বন্ধনে অংশ নেয় এবং সকলে রুবেলের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবি করে।অন্য দিকে অভিযুক্ত স্বামী রুবেলের বাড়ি গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।