১৬, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, সোমবার | | ১৬ মুহররম ১৪৪১

পরকীয়াকে বৈধতা দেওয়ায় আনন্দেঠেন ভারতীয় মেতে উ পুরুষ ও মহিলারা।

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৮

পরকীয়াকে বৈধতা দেওয়ায় আনন্দেঠেন ভারতীয় মেতে উ পুরুষ ও মহিলারা।

নিউজ ডেস্কঃ ভারতীয় আদালতের পরকীয়া কে বৈধতা দেওয়ার রায় শুনে আনন্দে মেতে উঠেন সেদেশের বহু পুরুষ ও মহিলা।
তারা এটাকে মুক্ত ও নিরাপদ যৌনচর্চার সফল আইন বলে অভিহিত করেন।

মাধুরী ভৌমিক নামে এক বধূ বলেন, দেখুন এই জগতে যখন তখন আপনার আমার অনেক কিছুই ভালো লাগতে পারে, অনেক কিছুই করার ইচ্ছে জাগতে পারে। আমি দুবছর ধরে স্বামীর ঘর করে আসছি। হঠাৎ করেই একদিন আমার অফিসের কলিগের সাথে যৌন মিলনের ইচ্ছে জাগলো।
তখন কলিগকে দুপুর বেলায় বাসায় আসতে বললাম।
তিনি আসলেন এবং আমরা পরকীয়া শুরু করলাম।
এখন আমরা পরকীয়াতেই খুশি। তিনি বলেন পরকীয়া কোন খারাপ কাজ নয়, এটা একটা আর্ট এটা একটা শিল্প। এটাকে বাঁচিয়ে রাখা দরকার। কারন পরকীয়া আমাদের মনকে চাঙ্গা রাখে এবং সবধরনের কাজে গতি বাড়ায়

রবী শংকর নামে এক ভদ্রলোক বলেন, আমি পরকীয়া করি সেটা আমার বউ এবং ছেলেমেয়েও জানে। আমার স্ত্রীও পরকীয়া করে আমিও সেটা জানি। আমরা কেউ কাউকে এতে বাধা দিই না। কারন এটা আমাদের মনের খোরাক জোগায়, মনকে প্রতিফুল্ল রাখে। তিনি বলেন আগে সমাজের কিছু মানুষ এটাকে একটু খারাপ চোখে দেখতো। এখন আর কেউ আমাদের কে খারাপ চোখে দেখবে না, এটা আমাদের জন্য একটা বিশাল পাওয়া এটা আমাদের জন্য বিজয়।

যে মূহুর্তে সারাবিশ্বে সংসার ভাঙ্গার যন্ত্র হিসেবে পরকীয়া কাজ করছে। সেই মূহুর্তে ভারতের আদালত এটিকে বৈধতা দিয়েছে। ভারত হচ্ছে আসলে একটি আজব দেশ!! কয়েকদিন আগেই সেদেশের আদালত সমলিঙ্গ কে বৈধতা দিয়ে হাজারো সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

ভারতের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে নতুন আইনে পরকীয়াকে আর অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না। রায়ে পুরোনো আইনটিকে সংবিধানবিরুদ্ধ বলা হয়েছে।

রায় পড়ার সময় ভারতের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র বলেন, ‘সন্দেহ নেই, পরকীয়া বিবাহবিচ্ছেদের অন্যতম কারণ, কিন্তু একে অপরাধ বলা যায় না।’

(খবর ভারতীয় গনমাধ্যমের)