২৫, জানুয়ারী, ২০২০, শনিবার | | ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

নৌকা ও ধানের শীষের শ্লোগানে মুখরিত কুমিল্লা

আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৮

নৌকা ও ধানের শীষের শ্লোগানে মুখরিত কুমিল্লা
  •    মোঃ খোরশেদ আলম( মুরাদনগর প্রতিনিধি) : নৌকা ও ধানের শীষের শ্লোগানে মুখরিত কুমিল্লা – ৩ মুরাদনগর আসনটি, সামনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর এ নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশেই বিরাজ করছে নির্বাচনি আমেজ। তবে কুমিল্লা – ৩ মুরাদনগর আসনটিতে নির্বাচনের ছোঁয়া যেন একটু বেশি লেগেছে।মুরাদনগর ও বাংগরা বাজার থানার সর্বত্র বইছে নির্বাচনি হাওয়া। মুরাদনগর ও বাংগরা বাজার থানার তরুণ ভোটারদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে আগ্রহের যেন শেষ নেই। এসব তরুণেরা নির্বাচনি আলাপচারিতার মুখরিত করে রেখেছে মুরাদনগর ও বাংগরা বাজার থানাকে । তবে নির্বাচনি এসব কার্যক্রমগুলোতে সকল নেতাকর্মীদেরই সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে সকল সংগঠনের নির্বাচনি  কার্যক্রমে দেখা যায়।তার সঙ্গে সরগরম হয়ে উঠছে কুমিল্লা ৩ আসনে মুরাদনগর উপজেলার নির্বাচনী মাঠ। গ্রাম মহল্লার চায়ের দোকান,হাটবাজার সর্বত্র চলছে আলোচনার ঝড়-কে হচ্ছে মুরাদনগরের সাংসদ। নৌকার মাঝি মুরাদনগর বাসীর উন্নয়নে কাজ করে উপজেলায় একটি শক্ত অবস্থান তৈয়ার করেছেন। উপজেলার সব কয়টি ইউনিয়নে কমিটি গঠন করে আওয়ামী সংঘঠনকে তিনি সুসংগঠিত করে রেখেছেন। এতে বেশ ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে তার কর্মী ও আওয়ামী সমর্থিত ভোটাররা।অন্যদিকে বিএনপির সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী ও মুরাদনগর থেকে ৫ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের ছোট ভাই বিএনপি’র প্রার্থী কে এম মুজিবুল হক মনোনয়ন পত্র বাছাইকালে বাদ পড়লেও পরবর্তীতে আপিল করে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন। প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ায় বিএনপি’র নিতিনীর্ধারকরা মুজিবুল হককে মুরাদনগর থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছেন। কায়কোবাদ পরিবার থেকে দলের নমিনেশন দেওয়ায় মুরাদনগর উপজেলায় জমে উঠেছে নির্বাচনী আমেজ। খুশিতে উজ্জীবিত বিএনপি’ সমর্থিত ভোটাররা। একটি উৎসব মূখর পরিবেশে ভোট দানে দিনক্ষন গুনছে হাতের গিরায় গিরায়। বাছাই পর্বেৌো প্রার্থীতা বাতিল হওয়ায় কেন্দ্রে যাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছিল বিএনপি’র ভোটাররা। প্রার্থীতা ফিরে আসায় নিভে যাওয়া স্বপ্ন জ্বলে উঠেছে আধার ঘরের প্রদ্বীপ হয়ে। এখন পথে প্রান্তরে হাটে ঘাটে আর চায়ের চুমকে চলছে ভোট দেওয়া- নেওয়ার নিখুঁত হিসাব। পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য বাছাই করবে নিজেদের পছন্দের প্রতিনিধি।বিশ্লেষকরা মনে করছেন এ আসনটি যেহেতু বিএনপি’ তথা কায়কোবাদের দূর্গ হিসাবে পরিচিত সেহেতেু ভোটারদের চাওয়া–পাওয়া ও সমর্থনের বিষয়টি বড় প্রভাব ফেলতে পারে আওয়ামীলীগের জয় পরাজয়ে। উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুরাদনগর উপজেলার দুটি থানা মিলে ১৩৭ টি ভোট কেন্দ্র থাকবে। এবার এ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮৬ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১লাখ ৯৩ হাজার ১৫৯জন, মহিলা ভোটার ১লাখ ৮৯ হাজার ৯২৭জন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ভোটারদের সাথে কথা বলে জানাগেছে তারা সুষ্ঠ-সুন্দর ও স্বাধীন একটি নির্বাচনী মাঠ চায়। যেখানে ভোট প্রদানে থাকবেনা কোন বাধা বিপওি। তাহলে কেন্দ্রে যাবে ভোট প্রয়োগ করে নির্বাচিত সরকার গঠনে সহায়তা করবে।