২৭, অক্টোবর, ২০২০, মঙ্গলবার | | ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ড. টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন।

আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৮

ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ড. টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন।



বিদুষ রায়, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্র‌তি‌নি‌ধিঃ ফজলে রাব্বীর পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, গেল ১৯ ডিসেম্বর বুধবার দিন গত রাত আনুমানিক ৩ ঘটিকায় বার্ধক্যজনিত রোগে ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।(ইন্নালিল্লাহী ওয়াইন্না ইলাহী রাজেউন)

তিনি স্ত্রী, ৩ পুত্র ও ২ কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেনে।

ফজলে রাব্বী জিবীত থাকা অবস্থায়
১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১২০০৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে পর্যায়ক্রমে গাইবান্ধা-৩ পলাশবাড়ী- সাদুল্যাপুর আসনে ৬ (ছয়) বার তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ড. রাব্বী  ১৯৮৪ সালে তিনি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এইচ.এম এরশাদের জাতীয় পার্টিতে যোগদানের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক জীবনের শুরু করেছিলেন। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপাতি হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তী সময় তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রী, ত্রাণ ও পূনর্বাসন মন্ত্রী ও সংস্থাপন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ড. ফজলে রাব্বী ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ এর দায়িত্ব পালন করেন। সভাপতি সরকারি প্রতিশ্রুতি কমিটি, কৃষি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন।

সর্বশেষ বিগত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এইচ এম এরশাদ মহাজোটে যোগদিলে জাপা থেকে দীর্ঘ রাজনীতির ইতি টানে এই প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব।পরে তিনি কাজী জাফর এর সাথে জাতীয় পার্টি দল গঠন করে ২০ দলে যোগ দেন।কাজী জাফরের মৃত্যুর পড় দলটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।বর্তমানে ২০ দলের  বিএনপির শরীক দল হয়ে পলাশবাড়ী- সাদুল্যাপুর আসনে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হয়েছিলেন।
তার মৃত্যুতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।