২২, এপ্রিল, ২০২১, বৃহস্পতিবার | | ১০ রমজান ১৪৪২

লালমনিরহাট-২ নির্বাচনী জনসভায় আশপাশে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না

আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০১৮

লালমনিরহাট-২ নির্বাচনী জনসভায় আশপাশে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না

আসাদ হোসের রিফাত,লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ
লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসনের মানুষের অতি আপনজন মহাজোটের মনোনীত প্রার্থী সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের নির্বাচনী জনসভা সফল করতে জনতার ঢল নামে। 
মঙ্গলবার(২৫ ডিসেম্বর) রাত জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার চাপারহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে তার নির্বাচনী জনসভায় আশপাশে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। 
জনসভাস্থল ঘুরে দেখা যায়, বিকাল ৪টা থেকে লালমনিরহাট-২ আসনের বিভিন্ন স্থান থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে মানুষজন চাপারহাট জনসভাস্থলে আসতে থাকে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যার মধ্যে জনসভাস্থল পরিপূর্ণ হয়ে যায়। রাত ৮টার মধ্যে আশপাশের রাস্তাও জনতায় ভরে যায়। প্রধানমন্ত্রী ও মহাজোট মনোনীত প্রার্থী ছবিসংবলিত পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে হাজার হাজার নেতাকর্মী দাঁড়িয়ে থাকেন। ঢাকঢোল পিটিয়ে জনসভায়স্থলে প্রবেশ করেন অনেকে। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, মহিলা লীগসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল, ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে জনসভাস্থলে উপস্থিত হন। মিছিলে মিছিলে চাপারহাট উৎসবে পরিণত হয়। 
নির্বাচনী জনসভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মহাজোট মনোনীত প্রার্থী সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বলেন, নৌকায় ভোট দিলে দেশের উন্নয়ন হয়। মানুষ শান্তিতে থাকতে পারে। আর বিএনপিকে ভোট দিলে দেশ পিছিয়ে যাবে এবং সন্ত্রাস ও দুর্নীতিতে ভরে যাবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে রয়েছে। শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দেশ আরো এগিয়ে যাবে। তাই আসন্ন নিবার্চনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে পুনঃরায় লালমনিরহাট -২ আসনে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার আহবান জানান। 
তিনি আরও বলেন প্রধানমন্ত্রী আমাকে এ অবহেলিত এলাকার উন্নয়নের জন্য প্রতিমন্ত্রী উপহার দিয়েছেন। আমি আপনাদের সুখে দুঃখে পাশে ছিলাম, আছি, আগামী দিনেও থাকার অঙ্গিকার ব্যক্ত করছি।

চন্দ্রপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক জোনাব আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত নিবার্চনী জনসভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুজ্জামান আহমেদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বায়েজিদ কাদেরী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার রশিদুজ্জামান আহমেদ, উপজেলা আঃ লীগের সহসভাপতি মজিবর রহমান, আব্দুল মতিন, সাবেক চেয়ারম্যান মাহাবুবর রহমান, যুগ্নসম্পাদক মিজানুর রহমান মিজু, অধ্যাপক আখতারুল ইসলাম শফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক বদিয়ার রহমান, মশিউর রহমান বিপ্লব, উপজেলা মহিলা লীগের সভানেত্রী সাজেদা জামান, মুক্তিযোদ্ধা লীগের শাহজাহান প্রামানিক, কৃষক লীগের সাইফুল ইসলাম, যুবলীগের রেফাজ রাঙ্গা, স্বেচ্ছাসেবক লীগের জামাল হোসেন খোকন ও আতাউর রহমান আলমসহ দুই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মহাজোটের শরীক জাপার নেতৃবৃন্দ।