১৮, সেপ্টেম্বর, ২০২০, শুক্রবার | | ৩০ মুহররম ১৪৪২

নোয়াখালীর সেই গৃহবধূ গণধর্ষনের ঘটনায় প্রধান আসামি সোহেল সহো গ্রেফতার ৩

আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০১৯

নোয়াখালীর সেই গৃহবধূ গণধর্ষনের ঘটনায় প্রধান আসামি সোহেল সহো গ্রেফতার ৩

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে চার সন্তানের জননীকে দল বেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় আরো একজন গ্রেপ্তার হয়েছে। এ নিয়ে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়াল তিন জনে।

মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার আজাদ নগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় আসামি স্বপনকে। এর আগে গ্রেপ্তার হন বাদশা আলম প্রকাশ বাসু আজকে সকালে আরো একজন গ্রেপ্তার হয়।ছয় আসামি এখনো পলাতক।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন জানান, রামগতির আজাদনগর এলাকায় এক স্বজনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকি ছয় আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রবিবার একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের পর রাত ১২টার দিকে ঘরে ঢুকে ওই গৃহবধূকে দল বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় তার স্বামীকে মারধর ও চার সন্তানকে বেঁধে রেখে নির্যাতন চালানো হয়।

পরে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী নয় জনকে আসামি করে মামলা করেন। গ্রেপ্তার তিন জন ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন , হানিফ, চৌধুরী, মোশাররফ, সালাহউদ্দিন, আবুল ও বেচু।

ঘটনাটি প্রকাশ হলে ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, ধানের শীষে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে তিনি পরে করা মামলায় বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করা হয়।

ভুক্তভোগী নারী এখন নোয়াখালী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তারা প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পেয়েছেন।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর নিন্দার ঝড় উঠেছে। নোয়াখালীর পুলিশ সুপার ইলিয়াস শরীফ বলেছেন, তারা সব আমামিকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করবেন। তার দাবি, ঘটনাটি রাজনৈতিক নয়।

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক জানিয়েছেন, এই ঘটনাটির তদন্ত করবেন তারা। এরই মধ্যে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র, মহিলা পরিষদসহ বিভিন্ন সংস্থা ঘটনাটির দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছে।