২৪, নভেম্বর, ২০২০, মঙ্গলবার | | ৮ রবিউস সানি ১৪৪২

আবারো এমপি রানার জামি না-মঞ্জুর; সাক্ষ্য গ্রহণ ২২ নভেম্বর

আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০১৮

আবারো এমপি রানার জামি না-মঞ্জুর; সাক্ষ্য গ্রহণ ২২ নভেম্বর

ফরমান শেখ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় এমপি রানার জামিনের আবেদন আবারো না-মঞ্জুর করেছে আদালত। আগামী ২২ নভেম্বর এ মামলার পরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন বিচারক।

বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামি এমপি রানাকে কাশিমপুর কারাগার থেকে টাঙ্গাইল বিচারিক আদালতে আনা হয়। এরপর টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মাকসুদা খানম এ চাঞ্চল্যকর মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলার সাক্ষী ফারুক হাসান ভূইঞা, সোলয়মান ও আনোয়ার হোসেন সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য হাজিরা প্রদান করে। পরে এই ৩ জন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য ও জেরা দুপুর ১ টায় সমাপ্ত ঘোষণা হয়।

এ সময় আসামিপক্ষ টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার জামিনের বিষয়ে শুনানি করেন। শুনানিতে অংশ নেন টাঙ্গাইলের সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল বাকী মিয়া, আরফান আলী মোল্লাসহ অনান্য আইনজীবীরা।

অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধীতা করেন অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট মনিরুল ইসলাম খান। তাকে সহায়তা করেন এডভোকেট রফিকুল ইসলামসহ তার সহযোগি আইনজীবীরা। এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বাদির স্বাক্ষ্য গ্রহণের মধ্যদিয়ে চাঞ্চল্যকর এই মামলার স্বাক্ষ্যগ্রহন শুরু হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার ৩ দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে এই হত্যায় এমপি রানা ও তার ভাইদের নাম বের হয়ে আসে। ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। এই মামলায় এমপি রানা ছাড়াও তার ৩ ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ ১৪ জন আসামি রয়েছে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত।