১৬, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, সোমবার | | ১৬ মুহররম ১৪৪১

ভারতীয় উপমহাদেশে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ‘ধর্ম’ একটি শক্তিশালী অনুষঙ্গ

আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০১৮

ভারতীয় উপমহাদেশে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ‘ধর্ম’ একটি শক্তিশালী অনুষঙ্গ

ফারুক আহম্মেদ সরকার : আপামর মানুষের অনুভূতি’কে পুঁজি করে বারবার এই হাতিয়ার ব্যবহার হয়েছে অত্যন্ত বর্বরভাবে। ভালোবাসার বদলে কেড়ে নিয়েছে অগণিত মানব জীবন। একাত্তরের আগে ও পরে এবং স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন অবস্থায়ও ধর্মকে ব্যবহার করে অপপ্রচার করেছে অমানুষরা। বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের, ধর্মহীন,নাস্তিক,খোদাদ্রোহী হিসেবে প্রচার ছিল এরই অংশ।

যদিও, সেসব ধর্মান্ধ অমানুষরা পাকিস্তানী হার্মাদ সেনাবাহিনীর সদস্যদের ধর্মবিরোধী আচরণ ও কর্মের বিষয়ে ‘টুঁ’ শব্দও করেনি। মানবতার চূড়ান্ত অবমাননাকর যুদ্ধাপরাধের ক্ষেত্রেও এরা জঘন্যভাবে ধর্মকে ব্যবহার করেছে। আমাদের দুর্ভাগ্য, হেন চেষ্টা আজও বিদ্যমান।

ছবিটি, ভারতের কৃষ্ণনগর মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে মাগরিবের নামাজ আদায়কালে দু’জন মুক্তিযোদ্ধার। সত্য ও ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধে আমরা বিজয়ী হয়েছিলাম একাত্তরে।

“শোনো মিথ্যুক! এই দুনিয়ায় পুর্ণ যার ঈমান,
শক্তিধর সে টলাইতে পারে ইঙ্গিতে আসমান।
আল্লাহর নাম লইয়াছ শুধু, বোঝনিক আল্লারে।
নিজে যে অন্ধ সে কি অন্যরে আলোকে লইতে পারে?
নিজে যে স্বাধীন হইলনা সে স্বাধীনতা দেবে কাকে?
মধু দেবে সে কি মানুষে, যাহার মধু নাই মৌচাকে?”

(চির প্রাসঙ্গিক কবিতাটির শিরোনাম ‘কৃষকের ঈদ’ রচনা করেছেন আমাদের জাতীয় কবি, কাজী নজরুল ইসলাম)

ফটোগ্রাফারঃ মার্ক রিবোঁ (জন্ম ২৪শে জুন ১৯২৩, মৃত্যু ৩০শে আগস্ট ২০১৬)