২৩, জানুয়ারী, ২০২১, শনিবার | | ৯ জমাদিউস সানি ১৪৪২

খুলনায় স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ

আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০১৯

খুলনায় স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ

ডুমুরিয়া প্রতিনিধিঃ  খুলনার খানজাহান আলী থানার আলিম সিটিগেট রেললাইন এলাকায় দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে তিন বন্ধু। অসুস্থ অবস্থায় ওই ছাত্রীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাতে নগরীর আফিল জুট মিল এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে এ ঘটনা ঘটে।

খানহাজান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম বলেন, স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নগরীর আটরা কলাবাগান এলাকার রুস্তমের ছেলে সাগর (২২) মেয়েটিকে মার্কেটে নিয়ে কেনাকাটা করে দেওয়ার কথা বলে ঘুরতে বের হয়। সারাদিন মোটরসাইকেলে করে ঘুরে বেড়ানোর পর সন্ধ্যায় ওই ছাত্রীকে সাগর ও তার দুই বন্ধু ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে এলাকাবাসী মেয়েটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। রাতেই স্কুলছাত্রীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করেছে।
এলাকাবাসী জানায়, পরিত্যক্ত ভবনের ছাদে নিয়ে তিন বন্ধু ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। ধর্ষিতার আর্তচিৎকারে পার্শ্ববর্তীরা এগিয়ে এলে সাগর (২২), মোঃ শফিকুর (২৬) এবং বেল্লাল হোসেন (৩০) ছাদ থেকে লাফিয়ে পালিয়ে যায়।
ধর্ষিতার ভাই জানান, সোমবার সকালে পড়তে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে সকাল সোয়া ৯টায় সাগর তাকে কৌশলে ভুল বুঝিয়ে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে তার ভাবীর বাড়ী দামোদরে নিয়ে যায়। সেখানে দুপুরের খাবারের পর বিভিন্ন জায়গায় ঘুরিয়ে সন্ধ্যার দিকে আলিম সিটিগেট রেললাইন মিজানের পরিত্যক্ত ভনের ছাদে নিয়ে তিন বন্ধু মিলে নেশা জাতীয় কিছু খেয়ে জোরপূর্বক তার বোনকে ধর্ষণ করে। এ সময় তার চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসলে তারা ছাদ থেকে লাফিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর পুলিশ সাগরের পিতা রুস্তম মাস্তানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাতেই থানায় নিয়ে যায়। জানা যায়, অভিযুক্ত সাগর ওই স্কুলছাত্রীকে মার্কেট থেকে কেনাকাটা করে দেবার প্রলোভন দেখিয়ে সারাদিন মোটরসাইকেলে ঘুরিয়ে সন্ধ্যায় দুই বন্ধুকে নিয়ে ধর্ষণ করে। এদিকে ন্যক্কারজনক এই ঘটনায় এলাকাবাসী অভিযুক্তদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ডুমুরিয়া প্রতিনিধিঃ  খুলনার খানজাহান আলী থানার আলিম সিটিগেট রেললাইন এলাকায় দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে তিন বন্ধু। অসুস্থ অবস্থায় ওই ছাত্রীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাতে নগরীর আফিল জুট মিল এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে এ ঘটনা ঘটে।

খানহাজান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম বলেন, স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নগরীর আটরা কলাবাগান এলাকার রুস্তমের ছেলে সাগর (২২) মেয়েটিকে মার্কেটে নিয়ে কেনাকাটা করে দেওয়ার কথা বলে ঘুরতে বের হয়। সারাদিন মোটরসাইকেলে করে ঘুরে বেড়ানোর পর সন্ধ্যায় ওই ছাত্রীকে সাগর ও তার দুই বন্ধু ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে এলাকাবাসী মেয়েটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। রাতেই স্কুলছাত্রীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করেছে।
এলাকাবাসী জানায়, পরিত্যক্ত ভবনের ছাদে নিয়ে তিন বন্ধু ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। ধর্ষিতার আর্তচিৎকারে পার্শ্ববর্তীরা এগিয়ে এলে সাগর (২২), মোঃ শফিকুর (২৬) এবং বেল্লাল হোসেন (৩০) ছাদ থেকে লাফিয়ে পালিয়ে যায়।
ধর্ষিতার ভাই জানান, সোমবার সকালে পড়তে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে সকাল সোয়া ৯টায় সাগর তাকে কৌশলে ভুল বুঝিয়ে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে তার ভাবীর বাড়ী দামোদরে নিয়ে যায়। সেখানে দুপুরের খাবারের পর বিভিন্ন জায়গায় ঘুরিয়ে সন্ধ্যার দিকে আলিম সিটিগেট রেললাইন মিজানের পরিত্যক্ত ভনের ছাদে নিয়ে তিন বন্ধু মিলে নেশা জাতীয় কিছু খেয়ে জোরপূর্বক তার বোনকে ধর্ষণ করে। এ সময় তার চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসলে তারা ছাদ থেকে লাফিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর পুলিশ সাগরের পিতা রুস্তম মাস্তানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাতেই থানায় নিয়ে যায়। জানা যায়, অভিযুক্ত সাগর ওই স্কুলছাত্রীকে মার্কেট থেকে কেনাকাটা করে দেবার প্রলোভন দেখিয়ে সারাদিন মোটরসাইকেলে ঘুরিয়ে সন্ধ্যায় দুই বন্ধুকে নিয়ে ধর্ষণ করে। এদিকে ন্যক্কারজনক এই ঘটনায় এলাকাবাসী অভিযুক্তদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।